
সাইদুল ইসলাম খান
রাজধানী শহর ঢাকা, এখানে চলতে গেলে রাস্তায় পরে অনেক বাধা। ইমারজেন্সি রোগী রাস্তায় ইন্তেকাল করেন, ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করে এই জানযট। আর অফিস আদালতে যাওয়ার সময় পরতে হয় নানা রকম সমস্যায় ,সময় মত যাওয়া যায় না অফিসে।এই সমস্যায় ভূমিকা রেখেছে আনফিট গাড়ি, গাড়ি চালকদের লাইসেন্স নেই,সঠিক ট্র্যাফিক নির্দেশনা মানে না, ট্র্যাফিক সদস্য দের আধুনিক ট্রেনিং কৌশল প্রয়োগ হয় না, গাড়ি চালকদের লেন পরিবর্তন নিজের ইচ্ছেমত, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং,বড় বড় গাড়ি রাস্তায় থামিয়ে মালামাল লোড আনলোড করা হয় সময় অসময় ।হকারদের দখলে ফুটপাত,পাতি নেতাদের দখলে ফুটপাত,জনগনের হাঁটা চলার জন্যে যে ফুটপাত,সেই ফুটপাত দৈনিক তিনবার তিন ধরনের মানুষের নিকট ভাড়া দেওয়া হয়।আমি একজন সাধারণ নাগরিক ও ভুক্ত ভুগি। আরও খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বাহিনী ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায় করে।উনারা ও জানযট সৃষ্টির অন্যতম কারণ।এবার বলি হকারদের দখলে থাকা ফুটপাতের কথা,সকালে বেচা কেনা হয় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম।বিকেলে কাপড়ের দোকান, ক্রোকারিজ,ফল মুল। রাতে সবজি,পাপস,কাঁচের জিনিস এবং kFC ,BFC চটপটি ও ফুচকা সারি বেঁধে চেয়ারে বসে সরকারের জায়গা নিজের মনে করে খোস গল্পের মাধ্যমে খেয়ে অলস সময় পার করে। অভিভাবক গন সন্তান নিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় ফুটপাত খালি না পেয়ে বাধ্য হয়েই গাড়ির রাস্তায় চলাচল শুরু করে। রোগী, চাকুরী জীবি,ব্যবসায়ী, ডাক্তার, নার্স ইন্জিনিয়ার,বিনিয়োগকার,ডেবলপার সবাই ফুটপাত না পেয়ে মেইন রাস্তা দিয়ে হেটে যায় কর্ম স্থলে। এতে অবশ্য ই জানযট সৃষ্টি হয় ।
আমার বিশ্বাস যদি আনফিট গাড়ি ঢাকায় চলতে না দেওয়া হয়,ঢাকা মহানগর এলাকায় কোন ফিটনেস নাই এমন গাড়ি ঢোকবে না। লাইসেন্স ছাড়া কোন চালক গাড়ি চালাতে পারবে না।ট্রাফিক পুলিশ দের আধুনিক কৌশল প্রয়োগ করে উন্নত মানের ট্রেনিং করাতে হবে। ইচ্ছে মতো লেন পরিবর্তন করা যাবে না।বাসগুলি চলবে ডানে কিন্তু বাস চলে বাম দিক দিয়ে। বাস স্টপিজ ছাড়া বাস থামবে না। ট্র্যাফিক পুলিশের আইন মেনে চলতে হবে ইনশাআল্লাহ ঢাকা শহরের চিত্র পরিবর্তন হবে। মাননীয় পরিবহন মন্ত্রীর নিকট আমার অনুরোধ ঢাকাকে তিলোত্তমা শহরে পরিণত করলে অন্য শহর গুলো অটোমেটিক আপডেট হবে আমার ধারনা। ধন্যবাদ