1. admin@jhikutpatra.com : সম্পাদক : আশরাফ ইকবাল
  2. atiqnayanmcjdu@gmail.com : atique nayan : atique nayan
  3. sheikhrupu@gmail.com : শেখ রুপু : শেখ রুপু
  4. shahriar40-371@diu.edu.bd : Shahriar Tanvir Refat : Shahriar Tanvir Refat
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন অব মালখানগরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, সভাপতি সোহেল ও সম্পাদক বাহার পুনর্নির্বাচিত অচেনা সেই আলোর হাত ছটকু আহমেদের সাথে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: তরুণ সমাজকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা অনস্বীকার্য সাংবাদিক আশরাফ ইকবালের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের গাছের চারা দিলেন তরুছায়া লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক আশরাফ ইকবালের শুভ জন্মদিন এইচনূর ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বাহারের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ এন এম হুমায়ূন কবির সাগরের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নতুন উপদেষ্টা হলেন সৈয়দ হোসেন নয়ন

কুরআন আগুনে পোড়েনা?

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৮৫ বার পঠিত

শায়খ প্রফেসর মুখতার আহমদ

কুরআন আগুনে পোড়েনা, কারণ কুরআনের উপর চামড়া বা মোটা লেদার জাতীয় হার্ড পেপার থাকে, এবং কাগজের ভাজের ভিতরে অক্সিজেন পৌঁছাতে পারেনা, এজন্য কোথাও কোথাও আমরা দেখতে পাই সব পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও কুরআন অক্ষত অবস্থায় থাকে। এটা কোনো অলৌকিকতা নয়। এটা সকল ধরণের বইয়ের বেলায়ও হতে পারে। যারা এসব নিয়ে প্রচুর পরিমানে উচ্ছাস দেখাচ্ছেন, কুরআনকে সত্যগ্রন্থ প্রমান করার জন্য এমন সিম্পল একটা বিষয়কে হাইলাইট করতে চান, আপনাদের লজ্জা করে না এসব আবেগ দেখাতে?

কুরআন সত্য গ্রন্থ এটা প্রমান করার জন্য এতো সস্তা আবেগ কেন দেখান? কুরআনের মিরাকল প্রমান করার জন্য হাজার হাজার শত শত মোজেজা রয়েছে সেগুলার ধারে কাছেও আপনাদের দেখা যায়না৷ শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিঃ ঠিকই বলেছেন, এ দেশের মানুষের ধর্মীয় আবেগ বেশি, কিন্তু ধর্মীয় জ্ঞান কম৷ বঙ্গবাজারসহ অন্যান্য সকল যায়গায় আমরা এমনটি দেখতে পাই যে সেখানে অক্ষত অবস্থায় অথবা কিছু অংশ পোড়া কুরআন পাওয়া যায়, গীতা পাওয়া যায়, মোটা ডায়রিও পাওয়া যায়। অন্য কোনো ধর্মের লোকেরা এসব নিয়ে উচ্ছ্বসিত না হলেও বাংগালী মুসলমানরা বরাবরই এসব নিয়ে এতো পরিমাণ উচ্ছ্বসিত হয় যে না*স্তিক ও অমুসলিমদের কাছে এসব হাসির পাত্র হয়ে দাঁড়ায়।

দেখলেন তো, এখন ঠিকই প্রমান হলো বঙ্গবাজারে যেটিকে কুরআন বলে দাবী করা হয়েছিল সেটি মুলত কুরআন ছিল না, এটি ছিল একটি হাদিসের কিতাব।

কুরআন আগুনে পোড়েনা, একথা কে বললো? বরং কুরআনের মুসহাফ পুরোনো হয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে সেটিকে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি। এমনটি সাহাবায়ে কেরাম করেছেন, উসমান রাঃও এমনটিই করেছেন।

এছাড়াও আমরা দেখতে পাই কা/ফে/র, মু/শরি/ক, মুর/তাদ বা ইসলাম বিদ্বেষীরা বিভিন্ন জায়গায় কোরআন পুড়িয়েছে। এবং আমরাও সেগুলার প্রতিবাদ করেছি। সুতরাং এসব নিয়ে যারা আবেগ ছড়াচ্ছেন তারা প্লিজ থামুন, ইসলামটাকে, মুসলিমদের আর নিচে নামাবেন না৷

কুরআনকে মহান আল্লাহ সংরক্ষণ করছেন কোটি কোটি হাফেজে কুরআনদের হৃদয়ে কুরআনকে সংরক্ষিত করার মাধ্যমে, লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত রাখার মাধ্যমে। ফলে পৃথিবীর সকল কুরআনের মুসহাফ পুড়ে গেলেও আবার নতুন করে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন ছাড়া মহাগ্রন্থ আল কুরআনকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এটিই কুরআনের মুজিযা।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ ঝিকুটপত্র
Theme Customized By Shakil IT Park