টাট্টু ঘোড়া গাজী আরিফ মান্নান আমার দাদা টাট্টু ঘোড়ায় চলতো দিনে রাতে একহাতে ঠিক লাগাম ধরা চাবুক অন্য হাতে। দাদা ঘোড়ায় বসলে নাকি দেখতে পাহাড়চূড়ো দাদা যখন ঘুরতো ঘোড়ায় দেখতো
আমি বিক্রমপুর মো. শাহজালাল হোসাইন হাজার বছর ধরে আমি জেগে আছি, পদ্মা, মেঘনা, ইছামতি-ধলেশ্বরীকে বুকে নিয়ে। যুগ যুগ ধরে জন্ম দিয়েছি আমি কত বিক্রমকে কোনো ইতিহাসবেত্তা তার হিসাব রাখতে পেরেছে
একতাই বল মোহাম্মদ মিজান মাঝি সকল শ্রেণীর সকল পেশার সঙ্ঘবদ্ধ দল। ঝিকুট মানে বিভেদ ভুলে একতারই বল। পিছন থেকে তোমরা যারা করো কানাকানি। ভালো কাজের নেই ক্ষমতা করো হানাহানি। হিংসা
রাধানাথ প্রকাশ চন্দ্র রায় রাতদুপুরে হঠাৎ হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো রাধানাথ। কাঁদছে তো কাঁদছেই! জোর গলায় সে কি কান্না! কান্নার ধমকে কেঁপে কেঁপে উঠছে বিছানা বালিশ। ও ঘর থেকে হুড়মুড়
আরেকটিবার এসো শামীম খান যুবরাজ হারিয়ে গেছো জীবন থেকে জানি আরেকটিবার আসতে যদি হে হৃদয়ের রানি চোখ ভাসাতাম তোমায় বুকে নিয়ে আরেকটিবার আসো যদি জীবনখানি দিয়ে প্রমাণ করার সুযোগ
অবগাহন শিপন হোসেন মানব এই বদ্বীপে বৈশাখ আসে শ্রেণী বিভেদ ভুলে জীবন সেজে ওঠে পাখিরা পাখনা মেলে।। ফুলে ফুলে আমরা কৃষক গেয়ে উঠি গান ভাটির টানে এই বাংলায় পার্বণ আসে
ছেলেবেলা নিহাদ হোসাইন কে নিল ছিনিয়ে আজ আমার ছেলেবেলা? ছিনিয়ে নিল কে সে? শৈশবের কানামাছি, গোল্লাছুট খেলা। কে নিল কেড়ে মোর পাখাহীন পাঠশালা; কে নিল কেড়ে মোর শিউলী- গাঁথা মালা?
গ্রামে বাড়ে মনোবল হাসু কবির মনপ্রাণ ভালো হয় গ্রামে যেই আসি দুখ ব্যথা সরে গিয়ে মুখ ফুটে হাসি ভালোলাগা অনুভব মনের ভিতরে দেখলে সবাই ডাকে নিজ মনে করে মন খুলে
চেনা বড় দায়! মহসিন আলম মুহিন দরদী মানুষ চেনা বড় দায়, মনের মানুষ পাবোগো কোথায়। হাজারও ভীড়ে-হাজারও মানুষ, রঙে-ঢঙে-সঙে সদাই বেহুস। থাকে মুখোশ পড়ে ঘাপটি মেরে, যার যা ইচ্ছা-তাই সে
আমরা বুড়ো খোকা শেখ মোমতাজুল করিম শিপলু আমরা ক’জন বুড়ো খোকা সমুদ্রে যাই ঘুরতে, ঢেউয়ের তালে মাঝ সমুদ্রে বেশ মজা ঢিল ছুঁড়তে। চিরচেনা দুষ্টুমিটা ফিরল আবার মনে, শিশুসুলভ আচরণে সময়