খায়রুজ্জামান খান সানি স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা যুক্ত হই বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে। বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠতে দেখা যায়—এসব সংগঠনের কাজ কী? কী শেখায় এগুলো? বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কর্মজীবনে আমরা
রাশিদুল ইসলাম: মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে ছা্ত্রজীবন। মানুষ তার মনুষ্যত্ব বিকাশ ও জীবনকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য শিক্ষা অর্জন করে। ছাত্রজীবন হলো জীবন গড়ার উপযুক্ত সময়। তবে
ঝর্না বড়ুয়া : মানুষ একা বাস করতে পারে না। কথাটা সর্বজনীন এবং আদিম যুগ থেকে আধুনিক সভ্যতায় এখনও চলমান। হিংস্র পশুপাখির হাত থেকে আত্মরক্ষা করার জন্য মানুষ সংঘবদ্ধ হতে থাকে,
কেমন হবে সামাজিক সংগঠনগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সালাম ।। সামাজিক উন্নয়ন মানুষের ভেতরকার সৃষ্টিজাত একটি বিষয়। আল্লাহ তাআলা হযরত আদম আ. এর মাধ্যমে তার সূচনা করেছেন। কোরআন-সুন্নাহয়ও তার
সোহাগ মনি: পৃথিবী প্রতিনিয়ত পালটে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে পালটাচ্ছে মানবসমাজ। আমাদের এই সমাজব্যবস্থার ভিত্তি এক দিনে গড়ে উঠেনি, এর পেছনে রয়েছে কত শত জানা আর না জানা ইতিহাস। মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে বাস করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই সমাজ আর সামাজিক ব্যবস্থার উদ্ভব। নিজের প্রয়োজনে অন্যকে আর অন্যের প্রয়োজনে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতাই টিকিয়ে রেখেছে আজকের সমাজ ব্যবস্থাপনা। একুশ শতকের এই সময়ে সমাজব্যবস্থা আর মানুষের প্রয়োজনীয়তার রূপ বদলেছে। আশা-নিরাশা, মিলন-বিরহ, আর চাওয়া-পাওয়ার দ্বান্দ্বিক এক জীবনের দিকে প্রতিনিয়ত আমরা ছুটে চলছি। এই দ্বান্দ্বিক জীবনের ক্ষেত্রে সামাজিক অবক্ষয় আর নৈতিকতার দিক থেকে সরে পড়ছে মানুষ কিংবা স্বার্থের প্রয়োজনে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সামাজিক বন্ধন আর নিজেদের প্রয়োজনকে ঠিক রেখে আধুনিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কিছু দিকের প্রতি গুরুত্বের সময় এসেছে, আর তার মধ্যে অন্যতম হলো সামাজিক সংগঠন। প্রতিটি সমাজেই কোনো না কোনো ধরনের সামাজিক সংগঠনের প্রয়োজন রয়েছে। এক সময় এই সামাজিক সংগঠন সমাজের নানান সমস্যা নিয়ে আলোচনা আর সমালোচনার মাধ্যমে তা সমাধানের পথ বের করেছে। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে, তখনকার সমাজব্যবস্থায় খুব প্রভাব ছিল সামাজিক সংগঠনের, এমনকি সমাজ পরিবর্তনে অনেক বড় ভূমিকাও রেখেছে সামাজিক প্রেক্ষাপটে। কিন্তু আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা অর্থাত্ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যোগাযোগের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধন করলেও নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে সামাজিক সংগঠনের মেরুদণ্ডকে। অনলাইন নির্ভর যোগাযোগের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থাকছে সামাজিক সংগঠনগুলো, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে মাঠে থেকে সমাজের পরিবর্তন সাধনের যে ভূমিকা তা আর হয়ে উঠছে না। সমাজে প্রতিনিয়তই বাড়ছে দ্বন্দ্ব্ব। আর এই দ্বন্দ্ব্বের নিরসনে সামাজিক সংগঠনই রাখতে পারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা। সামাজিক সংগঠনের কর্মকাণ্ড সমাজে এক ধরনের প্রবাহ সৃষ্টি করে, যেমন ধরা যাক কোনো এক সমাজে বাল্যবিবাহ রুখতে একটি সংগঠন রয়েছে, আর সেই সংগঠন তাদের কার্যকরী ভূমিকা রাখছে, এক্ষেত্রে সমাজের প্রতিটি মানুষের মনে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে একটু হলেও ভীতি সৃষ্টি হবে, মানুষজন একবারের জন্য হলেও ভাববে বাল্যবিবাহ দেওয়ার আগে। একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়বে, নিজেদের ভেতর আলোচনা হবে। এভাবে সামাজিক সংগঠন থাকলে সমাজের যে কোনো সমস্যা নিয়ে কথা উঠবে, তা থেকে মানুষ কিছুটা হলেও সচেতন হবে, সমাজ পরিবর্তন হবে। এভাবে মাদক, নারী নির্যাতন, নারী পাচারসহ সামাজিক অনেক দিকের প্রতি মানুষের নজর আসবে, সমাজ থেকে দ্বন্দ্ব্ব কমবে, আর প্রসারিত হবে আরো নতুন দিগন্ত। আমাদের এখন উচিত একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করা। সমাজকে কীভাবে আরো নতুন করে সাজানো যায় সেই ভাবনা করার এখনই সময়। চারদিকে যখন হত্যা, গুম, ধর্ষণ, আর নৈতিক মূল্যবোধের অভাব সেই সমাজতে আবার জাগিয়ে তুলতে পারে সামাজিক সংগঠন। যেসব সংগঠন নামে মাত্র চলছে, সেসব সংগঠনকে কার্যকরী করার উদ্যোগ নিতে হবে সমাজের মানুষেরই। যেসব নাগরিক জীবন সম্পর্কে সচেতন তাদের হাত ধরেই আসবে পরিবর্তন। আর পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে সমাজ থেকেই, তাহলে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে জাতি। সামাজিক সংগঠনগুলোর তালিকাবদ্ধ করে, কীভাবে আরো কার্যক্ষমতা বাড়ানো যায় এ বিষয়ে সরকারকেও নজর দিতে হবে। সরকারি নজরদারি এবং সহায়তা কিছুটা পেলেও সামাজিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব কার্যক্রম চালাতে পারবে, যা দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে রাখতে পারবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। লেখক :শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র :
স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচালিত সামাজিক সংগঠনকে উৎসাহ দেয়া প্রসঙ্গে আখতার হোসেন আজাদ: আমাদের বর্তমান যান্ত্রিক জীবনে সামাজিক সংগঠনগুলো অন্যতম আস্থা ও ভরসার প্রতীক হিসেবে উদীয়মান হয়েছে। শিক্ষিত সচেতন যুবকরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক : ৪ মে বুধবারবি কেলে বালুচর স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে ঝিকুটের পক্ষ থেকে এডিশনাল আইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ (বিপিএম) এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। এসময়
শরাফ ইকবাল : আলোড়ণ সৃষ্টিকারী সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই প্লাটফর্মে আছে তাবড় তাবড় ব্লগার, যশস্বী অনলাইন এক্টিভিস্ট, ডাকসাইটে সাংবাদিক, সম্ভাবনাময় লেখক, সাহিত্যিক, উদিয়মান কলামিস্ট,
সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের ইছাপুরা চৌরাস্তা সংলগ্ন চৌধুরী মার্কেটে এইচ নুর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের জন্য রমজান মাস উপলক্ষে মাসব্যাপী ইফতারের আয়োজন করা হয়। তারি ধারাবাহিকতায়
আশরাফ ইকবাল: সময়তো দাঁড়িয়ে থাকে না, গড়িয়ে চলে, মাড়িয়ে যায় এবং কালের আবর্তে হারিয়ে যায়। এ হারানো ইতিহাস লেখার জন্য কেউ কাউকে নির্দেশ দেয়নি। আপনা থেকেই লিখতে থাকে চলার কথা,