
ঝিকুটপত্র ডেস্ক :
আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য
১. সময়ের পালন করা:
একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার জন্য সবথেকে জরুরি হলো সময়ের সঠিক পালন করা।
যে ব্যাক্তি সময়ের মূল্য বুঝে থাকে সময়ও তাঁর মূল্য বোঝে, তাই ছাত্রদের সময়ের মূল্য বোঝানো খুব জরুরি।
তাই একজন শিক্ষকের প্রথম দায়িত্ব হলো বিদ্যালয়ে সময়ের সঠিক পালন করা এবং ধ্যান রাখা যাতে ছাত্ররাও সঠিক সময় অনুসরণ করে চলে এবং সময়ের অপব্যবহার না করে সময়ের সঠিক ব্যবহার করে।
২. সহযোগিতার ভাবনা থাকা:
কোনো বড়ো একটি সংগঠন চালানোর জন্য অনেক লোকের সহযোগিতা থাকা যেমন জরুরি ঠিক সেভাবেই একটি বিদ্যালয় চালানোর জন্য প্রতিটি শিক্ষকের মধ্যে সহযোগিতার অনুভূতি থাকাও অত্যন্ত জরুরি।
কেবল একজন শিক্ষকের ওপরে কখনই একটি বিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সামলানো সম্ভব নয়।
তাই সকল শিক্ষকের মধ্যে একে অপরের প্রতি সহযোগিতার ভাবনা থাকা খুব দরকার।
৩. নম্র ভাষার প্রয়োগ করা:
একজন আদর্শ শিক্ষকের ব্যবহার এবং ভাষা সবসময় নম্র হওয়া উচিত।
তবে তা শ্রেণি কক্ষই হোক বা শ্রেণীর বাইরেই হোক, সবখানেই তার ভাষার ব্যবহার সমান থাকা উচিত।
আর, একজন শিক্ষককেই ছাত্র-ছাত্রীরা নিজের আদর্শ মেনে চলে তাই শিক্ষকের ব্যবহার এবং ভাষা নম্র হলেই ছাত্ররা তা অনুসরণ করে শিখতে পারবে।
৪. বিষয়ের সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকা:
একজন শিক্ষকের সব দায়িত্ব এবং সব কর্তব্যের মধ্যে মুখ্য দায়িত্ব হলো, ছাত্রদের শিক্ষা প্রদান করা।বিষয়টি নিয়ে আরো বেশি অধ্যায়ন করা, নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহ করা, শিক্ষা দেওয়ার নতুন নতুন প্রক্রিয়া খুঁজে বার করা ইত্যাদি এই ধরণের বিভিন্ন দায়িত্ব একজন আদর্শ শিক্ষকের থাকা দরকার।