ঝিকুট ছোটো একটা শব্দ। অর্থ মেধা। আর মেধাবীদের নিয়েই ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কাজ।
আমার কাছে এসবের উত্তর:
১. ঝিকুটকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
ঝিকুট সেটাই।
আপাতত এটার রূপ দেয়া হয়েছে একটা সামাজিক সংগঠন হিসেবে।
ঝিকুটের মূলমন্ত্র হলো: একতা, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ।
২. লাভ?
মানুষ স্কুল, কলেজ বা ভার্সিটিতে পরাশুনা করে কেনো ? টাকা কামাতে? না।
কিছু শিখতে। মানুষের মতো মানুষ হতে। নিজেকে তৈরি করতে। মানুষ বিভিন্ন সংগঠন করে কেনো? মানুষের উপকারের জন্য? কিছু দেয়ার জন্য বা আত্মত্যাগের জন্য।
অর্থ লাভ বলতে কিছুই নেই। অর্থ, সময়, মেধা ও শ্রম ব্যয়। আপনি কি এমন কিছু ব্যয় করতে চান? তাহলে ঝিকুটে ভর্তি (সদস্য) হয়ে যান।
আমার কাছে ঝিকুট একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে Primary থেকে শুরু করে PhD পর্যন্ত সব লেভেলের স্টুডেন্ট (সদস্য) ভর্তি হতে পারে। কারও কাজ শিখা, কারও কাজ শিখানো। আপনি যোগ্যতা সম্পন্ন হলে আমাদের শিখানোর জন্য আসতে পারেন।
আমার কাজ শিখা। আমি এই ঝিকুট স্কুলে ওয়ানে ২০২০ সালে ভর্তি হয়ে, প্রায় দুই বছর পড়াশুনা করে, এই বছর নভেম্বরে ক্লাস টুতে উত্তীর্ণ হই।
আমাদের ঝিকুটের শিক্ষক (সদস্য) গণ অনেকেই পিএইচডি ডিগ্রীধারী। অনেকেই অনেক উচ্চ মাপের মানুষ।
তেমনি দুই বাংলার খ্যাতীমান রবীন্দ্র গবেষক ও নটরডেম কলেজ বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন স্যার ঝিকুটের একজন শিক্ষক। আমি সেই শিক্ষকেরই একজন নগণ্য ছাত্র। একদিন বড়ো হয়ে বের হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে ঝিকুট স্কুলে পড়াশুনা করছি।
সবাই আমার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রাখবেন। যাতে মানুষের মতো মানুষ হতে পারি।