
স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কিছু কথা
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজকে সুন্দর ও আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে অবশ্যই প্রতিটি সমাজ থেকে কিছু স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করতে হবে। আর স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করে থাকে সামাজিক সংগঠন গুলো।
স্বেচ্ছাসেবী হলো তারা যারা সেচ্ছায়, বিনিময় ছাড়া, মানুষের জন্য সমাজের জন্য কাজ করে থাকে। প্রকৃত দেশপ্রেমিক তারা যারা কারো কাছে প্রতিদান না নিয়ে সর্বদা মানুষের সেবায়,সমাজ ও দেশের সেবায় কাজ করে। সমাজের জন্য কাজ করা, মানুষের কল্যানের জন্য কাজ করা অনেক বড় ইবাদাত। আমরা অনেকেই মনে করি নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত, যিকির এগুলাই ইবাদাত!
কিন্তু সমাজের জন্য মানুষের জন্য কাজ করাও যে কত নেকীর কাজ তা অনেকেই মনেই করিনা। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ ( সা:) জাহেলিয়াতে যুগে যখন সমাজের বর্বরতা নিজের চোখে দেখেছিল তখন সমাজকে অন্যায়, জুলুম, অত্যাচার বন্ধ করে সুন্দর সমাজ গড়ে তুলার লক্ষ্যে একটি সংগঠন তৈরি করেছিল যার নাম ছিল হিলফুল ফুযুল। সুতরাং সমাজকে, দেশকে শান্তিময়, সুন্দর করার জন্য সামাজিক সংগঠন তৈরি করে তার জন্য কাজ করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।
আলহামদুলিল্লাহ, আমি দেশের যে প্রান্তে যাই যুবকদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয় গুলো তুলে ধরি। আমি লক্ষ্য করেছি সবার মাঝেই ভাল কাজ করার ইচ্ছা আগ্রহ আছে।
আমরা যদি স্বেচ্ছাসেবীরা সেই যুবক গুলাকে নিয়ে কাজ করতে পারি তাহলে দেশের জন্য, মানুষের জন্য অনেক কাজ করা সম্ভব।
একটি সমাজকে, দেশকে এগিতে নিতে চাইলে সরকার ও প্রশাসনকে অবশ্যই সহযোগীতা করতে হবে। আর প্রতিটি সামাজিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা সে ভূমিকা পালন করে থাকে। আমি একজন স্বেচ্ছাসেবী হয়ে সারা জীবন মানুষের কল্যানে, সমাজের কল্যানে, দেশের কল্যানে কাজ করে যেতে চাই।
আমি সবাইকে অনুরোধ করবো চলুন নিজে স্বেচ্ছাসেবী হই, অন্যকে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে গড় তুলতে কাজ করি।
দেশের সকল স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য দোয়া-ভালবাসা,শুভ কামনা রইলো।
লেখক: শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিপি
ন্যাচারালিস্ট, চিকিৎসক, ( ডিইউএমএস) হাবিবুর রহমান ইউনানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
আকুপাংচার, হিজামা কাপিং ও চাইনিজ ট্রেডিশনাল থেরাপিস্ট।
প্রতিষ্ঠাতা, সাধারন সম্পাদক আলোর পথে সেবা সংঘ।
প্রতিষ্ঠাতা, আলোর পথে বিডি রক্তদান সংস্থা।