1. admin@jhikutpatra.com : সম্পাদক : আশরাফ ইকবাল
  2. atiqnayanmcjdu@gmail.com : atique nayan : atique nayan
  3. sheikhrupu@gmail.com : শেখ রুপু : শেখ রুপু
  4. shahriar40-371@diu.edu.bd : Shahriar Tanvir Refat : Shahriar Tanvir Refat
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন অব মালখানগরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, সভাপতি সোহেল ও সম্পাদক বাহার পুনর্নির্বাচিত অচেনা সেই আলোর হাত ছটকু আহমেদের সাথে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: তরুণ সমাজকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা অনস্বীকার্য সাংবাদিক আশরাফ ইকবালের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের গাছের চারা দিলেন তরুছায়া লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক আশরাফ ইকবালের শুভ জন্মদিন এইচনূর ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বাহারের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ এন এম হুমায়ূন কবির সাগরের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নতুন উপদেষ্টা হলেন সৈয়দ হোসেন নয়ন

ঝিকুটপত্র ৩য় সংখ্যা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ২৪১ বার পঠিত
Jhikutpatra - 03
সভাপতি
নজরুল ইসলাম
পৃষ্ঠপোষক
সৈয়দ মাহমুদ হাসান মুকুট
মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বাহার
উপদেষ্টা
গোলাম মাওলা পিএসএম
মো. সিফাতুল আলম
হুমায়ুন কবির সাগর
মোহাম্মদ আক্তার হোসেন
আজমা চৌধুরী
সানজিদা হায়াত দিপা
মরতুজা আল আশরাফি
প্রধান সম্পাদক
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন
উপদেষ্টা সম্পাদক
অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার
কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল
এমদাদুল হক পলাশ
সম্পাদক
আশরাফ ইকবাল
নির্বাহী সম্পাদক
এন এ মোস্তাফিজ বুলবুল
যুগ্ম সম্পাদক
শিপন হোসেন মানব
সহকারী সম্পাদক
সাইয়্যেদুল বাশার
ফাহাদ
শাহিদুর হাসান শাওন
আতিকুর রহমান নয়ন
ত্বাইরান আবির
যোগাযোগ
বিক্রমপুর টাওয়ার (৭ম তলা), ৯/১২, নবরায় লেন, ইসলামপুর, ঢাকা – ১১০০
মোবাইল : ০১৬৩২-৮২৭৩২৭, ০১৯২৮-৫১৬১০১, ০১৮৫৯-৮০৩৬৬৭
ই-মেইল : jhikutpatra@gmail.com
ওয়েব : www.jhikutpatra.com
প্রকাশক আশরাফ ইকবাল কর্তৃক বিক্রমপুর টাওয়ার (৭ম তলা), ৯/১২, নবরায় লেন, ইসলামপুর, ঢাকা – ১১০০ হতে প্রকাশিত। মোবাইল : ০১৭২৮-২১৫০২২
আরো থাকছে
প্রবন্ধ
গল্প
ছড়া-কবিতা
ব্যক্তিত্ব
ফিচার
ভ্রমণ
সংবাদ
ঝিকুট সম্পর্কিত
লেখা ও বিজ্ঞাপন দিন
মহোদয়,
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, নিয়মিত ‘ঝিকুটপত্র’ শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মুখপত্র বের হচ্ছে। এতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের লেখা, ছড়া, কবিতা, গল্প, মতামত, ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ভ্রমণ বিষয়ক ও কৃতি ব্যক্তিদের তথ্য থাকছে।
অতএব, আপনার বা আপনার প্রতিষ্ঠানের একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে এই মহৎ উদ্যোগকে সাফল্য মণ্ডিত করুন।
নিবেদক
আশরাফ ইকবাল
সম্পাদক
ঝিকুটপত্র
jhikutpatra@gmail.com
www.jhikutpatra.com
০১৭২৮-২১৫০২২
১. শেষ পৃষ্ঠা রঙ্গিন (কভার) – ১৫০০০/-
২. ২য় পৃষ্ঠা রঙ্গিন (কভার) – ১২০০০/-
৩. ভিতর সাইডে শেষ পৃষ্ঠা রঙ্গিন (কভার) ১০০০০/-
৪. সাধারণ পুরো পৃষ্ঠা রঙ্গিন – ৮০০০/-
৫. সাধারণ পুরো পৃষ্ঠা সাদাকালো – ৬০০০/-
৬. অর্ধ পৃষ্ঠা রঙ্গিন – ৪০০০/-
৭. অর্ধ পৃষ্ঠা সাদাকালো – ৩০০০/-
৮. এক চতুর্থাংশ ২০০০/-

১.

২৮ জন এইচএসসি শিক্ষার্থীকে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা  (পিক- ০১)

শোভন সারোয়ার:

সিরাজদিখানে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ২৮ জন এইচএসসি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের আয়োজন গত ৩০ নভেম্বর শনিবার ২০২৪ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম। কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবালের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাগর, ইসলামপুর কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. জহুরুল ইসলাম, ইসলামপুর কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা একেএম ফখরুদ্দিন রাজি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ সমুদ্রের বাবা মনিরুজ্জামান, মা মাসুদা জামান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কবি শাহানা আফরোজ, প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর বাহাউদ্দীন বাহার, সমাজসেবক মহিউদ্দিন বাবু, সাংবাদিক মমিন বিশ্বাস প্রমুখ।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক সাইয়েদুল বাশার, সহ সভাপতি ফাহাদ, অফিস সম্পাদক শোভন, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি রিয়াজ মাহমুদ, মুহাম্মদ ইয়ামিন, রাতুল হাসান শান্ত, ইয়ামিন শেখ, আল মামুন, দীপ্ত, সৌরভ মাঝি, জুয়েল প্রমুখ।

২.

দৈনিক কালের কন্ঠের সম্পাদকের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ (পিক- ০২)

শাহিদুল হাসান শাওন:
দৈনিক কালের কন্ঠের অফিসে ঢাকার বসুন্ধরায় বৃহস্পতিবার ৭ আগস্ট ২৫ খ্রি. রাত ৯ টায় সম্পাদকের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়।
দৈনিক কালের কন্ঠের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সাফল্য কামনা করে পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবাল ও ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের অর্থ সম্পাদক আতিকুর রহমান নয়ন।
৩.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা পেল ৩৮ মেধাবী শিক্ষার্থী (পিক- ০৩)

সৈয়দ মেহেদী হাসান:

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন ও এসএসসি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা পেয়েছে।

২৫ জুলাই ২৫ খ্রি. শুক্রবার সকাল ১০ টায় সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জমকালো এ সংবর্ধনার আয়োজন করে শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশন। সংবর্ধনা প্রাপ্তদের মধ্যে ১৮ জন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী এবং ২০ জন এসএসসি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।

ঝিকুট ফাইন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক রবীন্দ্র গবেষক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা পিএসএম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর সিফাতুল আলম (অনলাইনে), এইচ নূর ফাউন্ডেশনের সভাপতি হুমায়ুন কবির সাগর (অনলাইনে), ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক মাসিক বিক্রমপুরের সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ হাসান মুকুট, ঝিকুট উপদেষ্টা গণপরিষদ সদস্য পরিবারের সাধারণ সম্পাদক সাব সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লে. জামাল উদ্দিন চৌধুরীর মেয়ে আজমা চৌধুরী (অনলাইনে), ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর বাহাউদ্দিন বাহার (অনলাইনে), ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক জাপান প্রবাসী মো. নূরুল ইসলাম খান এম. কম, উপদেষ্টা নারী উদ্যোক্তা সানজীদা হায়াত দিপা, উপদেষ্টা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক বিক্রমপুর পরিবারের সাবেক উপদেষ্টা মরতুজা আল আশরাফী, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমানউল্লাহ প্রমুখ।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন এবং ঝিকুট ফাউন্ডেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিক্রমপুর পরিবারের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান নয়নের উপস্থাপনায় অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ ঘোষ, ইছাপুরা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন মিয়া প্রমুখ।

৪.

দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় (পিক- ০৪)
সিজান খান:
দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) ২৫ খ্রি. বিকেলে আমার দেশ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য, টেলিভিশন মালিক সমিতির প্রতিনিধি, জাতীয় প্রেসক্লাবের দুই বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ আবদাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। মতবিনিময় সভায় ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল এর নেতৃত্বে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সম্পাদক ও দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি মোস্তাফিজ বুলবুল, অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাশারসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দৈনিক আমারদেশের সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমানের সাথে মাসিক বিক্রমপুরের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবাল মতবিনিময় করেন।

৫.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় (পিক- ০৫)
আসলাম শিকদার:
সিরাজদিখানের কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ২৫ খ্রি. সকাল ১১ টায় ফ্রি ব্লাড ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের আয়োজনে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান।
সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মো. মিলন হাওলাদারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমি কো-অর্ডিনেটর সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংক এর উপদেষ্টা জুয়েল শেখ প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটিভি নিউজ ২৪ এর নির্বাহী সম্পাদক মাসিক বিক্রমপুরের বিশেষ সংবাদদাতা আসিফ বাধন, সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের সদস্য ও ঝিকুট ফাউন্ডেশন সিরাজদিখান পরিষদের অর্থ সম্পাদক শাবনাজ সম্পা, সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের সদস্য কাজী নাজমুল ইসলাম রুপম, মো. রমজান প্রমুখ।
এসময় ৩৫০ জন শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।

৬.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত (পিক- ০৬)

আতিকুর রহমান নয়ন:

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ৮ জুন ২৫ খ্রি. রাতে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় বালুচরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সভাপতি, জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য আতিকুর রহমান নয়নের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বালুচর স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আশরাফ হোসেন, লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোক্তার হোসেন, কবি শিপন হোসেন মানব, কবি হোসাইন আনজুম, (সিসিএস) কনসিয়াস কঞ্জুমার্স সোসাইটি মুন্সিগঞ্জ জেলার কো-অর্ডিনেটর মো. ইমরান হোসেন প্রমুখ।

সভাটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন, অফিস সম্পাদক সোভন সারোয়ার, সদস্য এডভোকেট রাকিব হাসান জিসান, মো. ইকরামুল হাসান, তালহা আকাশ, শিহাব আহমেদ, সৈয়দ মেহেদি হাসান, নিলয় বাউল, জাহিদ বাউল, আসিফ বাধন, তানজিল আহসান রাতুল, রাসেল প্রমুখ।

উপস্থিত সদস্যবৃন্দ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের আসন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে পরিকল্পনা ও মতামত উপস্থাপন করেন।

সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবাল উদ্বোধনী বক্তব্যে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে জনাব নজরুল ইসলাম ঝিকুট ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সকলকে একনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি ড. জমির হোসেন তার বক্তব্যে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় জাতীয় পর্যায়ে অভিন্ন শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঝিকুট ফাউন্ডেশন থেকে কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করেন।

অর্থ সম্পাদক জনাব সাইয়্যেদুল বাশার সংগঠনের কার্যক্রম আরও তরান্বিত করার পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন, অফিস সম্পাদক সোভন সারোয়ার এবং সদস্য শিহাব আহমেদ বক্তব্য পেশ করেন।

৭.

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এর সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদকের মতবিনিময় (পিক- ০৭)

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আতাউল গনি ওসমানির সাথে ১৮ ডিসেম্বর ২৪ খ্রি. দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সম্পন্ন হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাতুল হাসান শান্ত, ইয়ামিন শেখ প্রমুখ।

৮.

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় (পিক- ০৮)

সিজান খান: সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। গত ২০ নভেম্বর ২০২৪ বুধবার সকালে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনা আক্তারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাসার ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের অফিস সম্পাদক শোভন সারোয়ার, সিরাজদিখান পরিষদের অর্থ সম্পাদক শাবনাজ আক্তার সম্পা, সদস্য জুয়েল শেখ, সৌরভ মাঝি, হাফসা আক্তার, তানজিল আহসান রাতুল, সিজান খান, মারুফ, জয়া প্রমুখ।

৯.

সিরাজদিখানে সহকারী পুলিশ সুপারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় (পিক- ০৯)

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজদিখানে সহকারী পুলিশ সুপারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। গত ২০ নভেম্বর ২০২৪ বুধবার দুপুরে সিরাজদিখানে সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়ে সিরাজদিখান সার্কেলের এএসপি আ ন ম ইমরান খান ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ভালো কাজে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাসার ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের অফিস সম্পাদক শোভন সারোয়ার, সিরাজদিখান পরিষদের অর্থ সম্পাদক শাবনাজ আক্তার সম্পা, সদস্য জুয়েল শেখ, সৌরভ মাঝি, হাফসা আক্তার, তানজিল আহসান রাতুল, সিজান খান, মারুফ, জয়া প্রমুখ।

১০.

সিরাজদিখান থানার নবাগত ওসি’র সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় (পিক- ১০)

আসিফ বাধন : সিরাজদিখান থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  শাহেদ আল মামুনের সাথে সৃজনশীল ও অরাজনৈতিক সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ২৫ খ্রি. দুপুরে সিরাজদিখান থানায় তার কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান থেকে শুরু করে শেষ দিনটি পর্যন্ত আন্তরিকতা, সততা, নৈতিকতা, বিশ্বস্ততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনে দোয়া কামনা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন, সদস্য সৈয়দ মেহেদী হাসান, আসিফ বাধন প্রমুখ।

১১.

মাসিক বিক্রমপুরের প্রতিনিধি সম্মেলন (পিক- ১১)

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মাসিক বিক্রমপুরের প্রতিনিধি সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সিরাজদিখানের নাজমা সৌম্যের বাড়িতে মাসিক বিক্রমপুর নতুন করে প্রকাশনার ৪৫ বছর উদযাপন উপলক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাসিক বিক্রমপুরের সম্পাদক ও প্রকাশক সৈয়দ মাহমুদ হাসান মুকুটের সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ ইকবালের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ প্রতিনিধি দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার বার্তা সম্পাদক আবু নাসের লিমন, লৌহজং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর লেখক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম রাকিব, টঙ্গীবাড়ি প্রতিনিধি অনিক শেখ, শ্রীনগর প্রতিনিধি ফরহাদ হোসেন জনি, লৌহজং প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান নবিন, সাংবাদিক মেহেদী হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্য আসিফ বাঁধন, সিরাজদিখান ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মো. মিলন হাওলাদার, সদস্য মো. রমজান প্রমুখ।

১২.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত (পিক- ১২)

আসিফ বাধন:

গত ১১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রী. শনিবার দুপুরে সিরাজদিখানে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝিকুট ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওনের সঞ্চালনায় সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি ফাহাদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবাল, অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাশার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রহিম তালুকদার, অফিস সম্পাদক শোভন সারোয়ার, সদস্য তানিয়া ইসলাম প্রিয়া, কাউসার হোসেন, মোহাম্মদ আলী হৃদয়, হৃদয় হাসান, মুরাদ, ইমরান হোসেন, রাকিব হাসান জিসান, খাদিজা আক্তার, সৈয়দ মেহেদী হাসান, আসিফ বাধন, পূজা দেবনাথ, মোহাম্মদ আলী, পরিতোষ দেবনাথ, মো. সিজান খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, সাংবাদিক ও শিক্ষকবৃন্দ।

১৩.

ড. জমির হোসেনকে প্রধান করে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নতুন সেশনের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন (পিক- ১৩)

ঝিকুটপত্র প্রতিবেদক:

গত ২১ জানুয়ারি ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ২ বছর (২০২৫-২৭ সেশন) মেয়াদি ১৩ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদিত হয়েছে। নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেনকে প্রধান উপদেষ্টা করে ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্যদের মধ্যে বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবজল হোসেন, বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা পিএসএম, বাংলাদেশ আর্মির মেজর মো. সিফাতুল আলম, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আরশাদ হোসেন (আকাশ), বিক্রমপুর টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, এইচ নূর ফাউন্ডেশনের সভাপতি হমায়ুন কবির সাগর, ইমপ্রেস গ্রুপের শহীদুল ইসলাম এফসিএমএ, লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোক্তার হোসেন ও সমাজসেবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মরতুজা আল আশরাফি।

অন্যান্য উপদেষ্টাবৃন্দ হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ডিএম মাহফুজুর রহমান, জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালের (ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল) সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খাঁন, দৈনিক আমার দেশের মফস্বল বিভাগের মোস্তাফিজ বুলবুল, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. ইজাজ খান, সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এমদাদুল হক পলাশ, সাব সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন চৌধুরীর কন্যা আজমা চৌধুরী, নারী উদ্যাক্তা সানজীদা হায়াত দীপা, জাহানারা আক্তার সুমী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কবি শাহানা আফরোজ,  মালখানগর কলেজের প্রভাষক মোবারক হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের প্রভাষক প্রভাষক সাজ্জাদ খান প্রমুখ।

১৪.

জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব:) নজরুল ইসলাম ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সভাপতি নির্বাচিত (পিক- ১৪)

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম।
তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ পদে পুনরায় নির্বাচিত হন।
গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সোমবার বেলা ১১ টায় সিরাজদিখানে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি আব্দুল্লাহ কাদেরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবালের পরিচালনায় ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সদস্য সাইয়্যেদুল বাসারের প্রস্তাবে নজরুল ইসলামকে সভাপতি হিসেবে সমর্থন করেন
সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওন।
পরে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাধারণ পরিষদের অনলাইন গ্রুপে পুলের মাধ্যমে সভাপতি হিসেবে নজরুল ইসলাম সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। কেন্দ্রীয় পরিষদের মাধ্যমে তাকে দুই (২০২৫-২৭) বছরের জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া পৃষ্ঠপোষক পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ, স্থায়ী পরিষদ, কেন্দ্রীয় পরিষদ, স্থানীয় পরিষদ, সাধারণ সদস্য ও প্রাথমিক সদস্যদের সমন্বয়ে ২০০ সদস্য বিশিষ্ট সাধারণ পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

সাধারণ পরিষদের উল্লেখযোগ্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সামছুল হক হাওলাদার, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবজল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ডিএম মাহফুজুর রহমান, সুসাহিত্যিক মো. শাহজালাল (বাউল সাজু), বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা (পিএসএম), মেজর মো. সিফাতুল আলম, জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালের (ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল) সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খাঁন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার মফস্বল বিভাগের সাব এডিটর মোস্তাফিজ বুলবুল, পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমদাদুল হক পলাশ, সাব সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন চৌধুরীর কন্যা আজমা চৌধুরী, মাসিক বিক্রমপুরের সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ হাসান মুকুট, বিক্রমপুর টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, এইচ নূর ফাউন্ডেশনের সভাপতি হমায়ুন কবির সাগর, প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বাহার, ইমপ্রেস গ্রুপের শহীদুল ইসলাম এফসিএমএ, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. ইজাজ খান, লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোক্তার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কবি শাহানা আফরোজ, উত্তর রাংগামালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আমানউল্লাহ, সমাজসেবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মরতুজা আল আশরাফি, নারী উদ্যাক্তা সানজীদা হায়াত দীপা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী জাপান প্রবাসী নূরুল ইসলাম খান, আমানা গ্রুপের জিএম (ফিনান্স এন্ড একাউন্ট) রফিকুল ইসলাম, জাহানারা আক্তার সুমী,  মালখানগর কলেজের প্রভাষক মোবারক হোসেন, বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারি কলেজের প্রভাষক প্রভাষক সাজ্জাদ খান প্রমুখ।

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি নজরুল ইসলাম সাধারণ পরিষদের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমি ফাউন্ডেশনের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবো এবং সকল সদস্যদের নিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চাই।”

উল্লেখ্য, ঝিকুট ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং এই নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠন আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।

১৫.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের শ্রেষ্ঠ সদস্য স্বীকৃতি পেলেন ফাহাদ ও শাওন (পিক- ১৫)
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ব্যতিক্রমী সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশনুএর শ্রেষ্ঠ সদস্য হিসেবে ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় পরিষদের ফাহাদ ও ২০২৪ সালে সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল হাসান শাওনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে সংগঠনের অফিসিয়াল প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেন ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম।
তিনি জানান, “একতা, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ” মূলমন্ত্র এবং “পরিবর্তমান পদযাত্রা” স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আশরাফ ইকবালের উদ্যোগে ঝিকুট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর একজন করে শ্রেষ্ঠ সদস্য ঘোষণা করা হচ্ছে। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক মুন্সীগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবাল, ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি আব্দুল্লাহ কাদের, ২০২২ সালে অর্থ সম্পাদক সাইয়্যেদুল বাশারকে শ্রেষ্ঠ সদস্য ঘোষণা করা হয়।

১৬.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ২০২৫-২৭ সেশনের কেন্দ্রীয় পরিষদ ঘোষণা (পিক- ১৬)

নিজস্ব প্রতিবেদক: 
ব্যতিক্রমী সংগঠন ঝিকুট ফাউন্ডেশন এর নতুন কেন্দ্রীয় পরিষদ গঠন করা হয়েছে। ২০২৫-২৭ সেশনের জন্য সভাপতি হিসেবে সাইয়্যেদুল বাশার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শাহিদুল হাসান শাওন নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল প্যাডে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে স্বাক্ষর করেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাসিক বিক্রমপুরের সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ হাসান মুকুট।

২ বছর মেয়াদি ২১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় পরিষদের অন্য সদস্যদের মধ্যে সহ সভাপতি ফাহাদ, সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মো. নয়ন মিয়া, অর্থ সম্পাদক আতিকুর রহমান নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক শোভন সারোয়ার, শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাজির আহমাদ মিয়াজী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শেখ রুপু, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক এডভোকেট রাকিব হাসান জিসান, অফিস ও প্রচার সম্পাদক —, যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. নাজমুল আলম বেপারী, শিশু ও নারী বিষয়ক সম্পাদক পূজা দেবনাথ, শিল্প ও সাহিত্য সম্পাদক ত্বাইরান আবির, অফিস সম্পাদক আসিফ বাঁধন, ত্রাণ, দুর্যোগ, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. শিউলি আক্তার, স্কুল ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক —, নির্বাহী সদস্য রমজান মাহমুদ, মো. ইকরামুল হাসান, মাহমুদা খাতুন বাবলি প্রমুখ নির্বাচিত হন।

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন নতুন পরিষদ সম্পর্কে বলেন, “সৃজনশীল উদ্যোগের জন্য ঝিকুট ফাউন্ডেশন একটি অনন্য সংগঠন। শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে এভাবে আর কোনো সংগঠন এ এলাকায় কাজ করছে না। নতুন কেন্দ্রীয় পরিষদ গঠন করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

ঝিকুট ফাউন্ডেশন সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও জাতিসংঘের আইসিটি কর্মকর্তা (অব.) নজরুল ইসলাম জানান, “একতা, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ” মূলমন্ত্র এবং “পরিবর্তমান পদযাত্রা” স্লোগান নিয়ে ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আশরাফ ইকবালের উদ্যোগে ঝিকুট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর আমরা প্রথমবারের মতো উৎসবমুখর পরিবেশে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে প্রথম কেন্দ্রীয় পরিষদ গঠনের মাধ্যমে জোড়ালোভাবে কার্যক্রম শুরু করি। তারই ধারাবাহিতকতায় আজ ২য় কেন্দ্রীয় পরিষদ গঠন করা হলো। নির্বাচিত সকল সদস্যকে অভিনন্দন।

 

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবাল বলেন, নতুন কেন্দ্রীয় পরিষদের দায়িত্বিশীলদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

……………………………………………………………………………………………………………………………………..

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সহ সমন্বয়কের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ (পিক- ০৭)

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ বুধবার রাত ৯ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সহ সমন্বয়কের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সম্পন্ন হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের সহ সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফির সাথে মতবিনিময়ে সম্পাদক আশরাফ ইকবাল নেতৃত্ব দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক রাসেল ও শিল্পী জায়েদ আহনাফ।

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুন্সিগঞ্জ সদরে গত ১৯ জুন ২০২৪ বুধবার বিকেল ৫ টায় মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিনের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সম্পন্ন হয়।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ সভাপতি ফাহাদের নেতৃত্বে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুটপত্রের উপদেষ্টা সম্পাদক ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের খবরের সম্পাদক এড. সোহানা তাহমিনা, ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবাল, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্য জাহাঙ্গীর, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মুখপত্র ঝিকুটপত্রের বিশেষ প্রতিনিধি আসিফ বাধন, এটিভি নিউজ২৪ এর বিশেষ প্রতিনিধি মো. সিজান খান প্রমুখ।

এসময় ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও ঝিকুটপত্র প্রদান করা হয়।

সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিরাজদিখানের রাজদিয়া স্কুলে গত ২১ জুন ২০২৪ শুক্রবার বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন মৃধার সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সম্পন্ন হয়।

ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ সভাপতি ফাহাদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মাওলা পিএসএম, উপদেষ্টা সাংবাদিক কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুমন মিয়া, উপদেষ্টা মো. মোক্তার হোসেন, ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ ইকবাল, সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাবেদুর রহমান যোবায়ের প্রমুখ।

ঝিকুট এ্যালবাম

১.

সাবেক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল হাসিনুর রহমান বীর প্রতীকের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবাল।  তারিখ : ০৮.০৮.২০২৫

২.

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহর সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক ও মাসিক বিক্রমপুরের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ: ০৮.০৮.২০২৫

৩.

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৭.০৪.২০২৫

৪.

ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের জিএস এসএম ফরহাদের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ : ০৭.০৮-২০২৫

৫.

ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খানের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১২.০১.২০২৫

৬.

ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ : ০৮.০৮.২০২৬

৭.

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিনের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৭.০৪.২০২৫

৮.

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ০৯.০৮.২০২৫

৯.

ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেজর মো. সিফাতুল আলমের  সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল ও সহকারী সম্পাদক ফাহাদ। তারিখ : ২৭.৪.২৪

১০.

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র একেএম এরাদত হোসেন মানুর সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ০৩.১২.২০২৪

১১.

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনা আক্তারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ: ৯.১২.২৩

১২.

সিরাজদিখান সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আ ন ম ইমরান খানের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ২১.১.২০২৪

১৩.

আল মুসলীম গ্রুপের এমডি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ : ১২.০৬.২০২৫

১৪.

সিরাজদিখান উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি)’র সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৯.০৬.২০২৫

১৫.

খাসমহল বালুচর স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতির সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১০.০৬.২০২৫

১৬.

সিরাজদিখান থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  শাহেদ আল মামুনের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ৩০.০৩.২০২৫

১৭.

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শহিদের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ : ১৫.০৮.২০২৫

১৮.

শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিস উদ্দিনের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবাল। তারিখ : ১৫.০৮.২০২৫

১৯.

সফটওয়্যার কোম্পানি বাংলা পাজেলের প্রতিষ্ঠাতা সিইও নাদিম মাজিদের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক। তারিখ : ০৭.০৮.২০২৫

২০.

বাগছাসের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক। তারিখ : ০৭.০৮.২০২৫

২১.

আপ বাংলাদেশের প্রধান সংগঠক নাঈম আহমেদের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৮.০৩-২০২৫

২২.

বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামী মুন্সিগঞ্জের নায়েবে আমীর মাওলানা মো. নুরুল হক পাটোয়ারীর সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক। তারিখ : ১২.০৬.২০২৫

২৩.

মুন্সিগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জাকারিয়া মোল্লার সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৪.০৮.২০২৫

২৪.

১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের পুষ্পস্তবক অর্পণ। তারিখ : ১৬.১২.২০২৪

২৫.

দৈনিক আমারদেশের নির্বাহী সম্পাদকের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৮.০৪.২০২৫

২৬.

জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালের (ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল) সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খাঁনের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ০২.০৪.২০২৫

২৭.

জুলাই বিপ্লবের অন্যতম কারিগর সিবগাতুল্লার সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১৭.০৪.২০২৫

২৮.

বাউল শিল্পী লতীফ সরকারের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়। তারিখ: ১৬.০৬.২০২৪

২৯.

বিশিষ্ট শিল্পী আনোয়ার হোসেনের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ২৪.০৬.২০২৫

৩০.

বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের সাথে ঝিকুটপত্রের সম্পাদক। তারিখ : ০২.০৪.২০২৫

৩১.

দৈনিক আমারদেশের সাহিত্য সম্পাদক মুহিম মাহফুজের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ০৯.০৮.২০২৫

৩২.

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র এডভোকেট মুজিবুর রহমানের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ : ১২.০৮.২০২৫

 

 

 

 

বগুরার শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউর রহমানের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবাল। ১৭.৯.২০২৩

৫.

মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মহিউদ্দিনের সাথে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারিখ: ২৭.৪.২৪

 

 

 

 

আমাদের আড়িয়াল
আক্তার বিন আমির আহমদ

আমাদের আড়িয়াল
দেশ সেরা বিল,
এইখানে বাস করে
সাদা বক চিল।

ছোট- ছোট জোড় খালে
সরপুঁটি কৈ,
অহরহ ছুটাছুটি
করে হৈচৈ!

কচি- কচি ধানগুলো
হাত নেড়ে কয়,
বারবার এসো তবে
নেই কোনো ভয়।

 

তোমার জন্য মেয়ে

~সাজ্জাদ খান

বুকের ভেতর রাত্রি দিন
তোমার মতো ব্যথা,
দুঃখ তোমার মতো,
অনেক কলম শেষ করেছি লিখে বুকের ক্ষত।
চোখের ভেতর মেঘ জমেছে
বৃষ্টি হবে বলে,
আরো জমুক ঝড়িয়ে দেবো
আবার দেখা হলে।
অনেক চিঠি জমিয়ে রাখা
শব্দ বিহীন বুকে,
এক বিকেলে ডাক বাক্সের
হিসেব দেবো চুকে।
ক্যালেন্ডারের অনেক পাতা অভিমানে চেয়ে,
খবর নিও আমার ছায়াও
হঠাৎ করেই আমার না আর
তোমার জন্য মেয়ে।

 

‘সুশীল শিক্ষা ‘
মোঃ মোক্তার হোসেন

শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষা দিবেন শিক্ষা পরম মানুষ গড়ে,
শিক্ষা গুরু করেন শুরু
পরম কৃপায় শিক্ষা ধরে।
জীবন ভালো জ্ঞানের আলো বর্ণ ভাষায় দিয়ে শিক্ষা,
সারা জীবন আপন ভুবন সুশীল শিক্ষা নিবে দীক্ষা ।
তাঁদের বলে জীবন চলে সুশীল জাতি তবে হবে, প্রদীপ জ্বেলে আলো মেলে দীপ্ত মনে সফল ভবে।
শিক্ষার জ্যোতি জ্ঞানের বাতি
ভক্তি শ্রদ্ধা সর্ব ক্ষণে,
স্মরণে চাই আজীবন তাই
সুশীল শিক্ষা মহৎ মনে ।
সঠিক শিক্ষা হয় পরীক্ষা
আলোকিত শ্রেষ্ঠ হবে,
গুরুজনে ভক্তি মনে
সুপ্ত মেধা ছড়ায় তবে ৷

 

২৪ শে কিশোরের প্রতিভা.
লেখকঃ শাহাদাত খন্দকার হাসান
অতি নিকটতর আধারীক্ষণিকা প্রান্ত
যেনো জ্যোতি সমাধিত জ্যান্ত,
বড় ক্লান্তিশিক্ত সৎদিশারী
সুবলবীর আজ শান্ত।

ঘোর নেশামত্ত রাজ্যবাসী
আসন আক্রে সর্বনাশি,
দেবদূতদের লোকালয়ে
ভূতের কলরব,
আমি দাড়ালে দর্পনেতে
দেখি দস্যু অবয়ব।

অভিশপ্ত শুক্রগ্রহ ধ্বংসাত্মক পন ধরেছে
ধরাধামে আলয় গড়ে
মুনাফিকের কাঁধ চড়েছে,
তর্জণী তব উচিয়ে ধরে
কত মুমিন রণ লড়েছে!
লহুলাল লুটায়েও হয়নি স্বাধীন
ঈমান পরাধীন হয়েছে।

আজ আয় তরুণ আয় হানিবো আঘাত
ভ্রষ্ট দরগায়
তপ্তলহু পান করাবো
পিপাসুরা যত চায়।

 

একতাই বল

মোহাম্মদ মিজান মাঝি

সকল শ্রেণীর সকল পেশার
সঙ্ঘবদ্ধ দল।
ঝিকুট মানে বিভেদ ভুলে
একতারই বল।

পিছন থেকে তোমরা যারা
করো কানাকানি।
ভালো কাজের নেই ক্ষমতা
করো হানাহানি।

হিংসা বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে
এসো করি কাজ।
একতারই মিলন মেলায়
নেই যে কোনো লাজ।

দলাদলি হানাহানি
তৈরি করে শত্রু।
মানবতা কবর দিয়ে
ঝরায় চোখের অশ্রু।

মিলেমিশে থাকি সবাই
হাতে রাখি হাত।
এগিয়ে নেই সমাজটাকে
নয় আর অজুহাত।

 

শিক্ষিত মা

সাইয়্যেদুল বাশার

একটি শিশুর জীবনে শিক্ষিত মায়ের গুরুত্ব সবচাইতে বেশি। জন্মের পর তার পরিচর্যা থেকে শুরু করে তাকে মানুষ করার বেশির ভাগ দায়িত্ব মায়ের।
শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, জীবনে গতি আনে, নতুন পথ দেখিয়ে জীবন গড়তে সহায়তা করে। সন্তান জন্মের পর সে একেবারেই কাদামাটির মতো থাকে, তাকে নৈতিক শিক্ষা দিয়ে গড়ে উঠতে সাহায্য করতে হয়। সন্তান গড়ে তোলার জন্য জ্ঞান অর্জন আবশ্যক, যা তাকে সঠিক পথ দেখাতে সাহায্য করে। মায়ের মন অত্যন্ত কোমল প্রকৃতির যা সন্তানকে আকৃষ্ট করে। মায়া-মমতায় ঘিরে সন্তানকে মাতা-পিতা এগিয়ে যেতে পথ দেখায়। একজন শিক্ষিত মা-ই পারে তার সন্তানের সুপ্ত মনোবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে। তা ছাড়া জন্মগতভাবে সন্তান মায়ের প্রতি দুর্বল থাকে, যা তাকে মায়ের চিন্তা-চেতনায় প্রভাবিত করে।

একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, অশিক্ষিত মায়েরা অজ্ঞতার কারণে সন্তানের জীবন গঠনে খুব একটা সহায়তা করতে পারে না। তখন বেশির ভাগ সময়ই সন্তান অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়। শিক্ষিত মায়েদের সন্তান স্বাভাব-চরিত্রে, শিক্ষায়, ভদ্রতা-নম্রতায় আদর্শবান হয়। যে দেশের মেয়েরা শিক্ষা-দীক্ষায় যত উন্নত সে দেশের জনগণও সর্বক্ষেত্রে উন্নত ও সে জাতিই বিশ্বের বুকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অগ্রগামী।

শিশুর জন্মগ্রহণের পর ৪-৫ বছর সবচেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত করে তার মায়ের সাথে। মায়ের সাহচর্যে শিশু দিনে দিনে বড় হয়। আস্তে আস্তে নড়াচড়া, হামাগুড়ি দেয়া, কথা বলা থেকে শুরু করে প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখে। এক সময় তাকে সমাজের নিয়ম-কানুন মেনে বড়ো হতে হয়। এই সময় তার আশপাশের বড়দের ভূমিকা জীবন গড়তে অপরিহার্য। বড় ভাই-বোন, খেলার সাথী, পাড়া প্রতিবেশী, মা-বাবা, আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে সকলের কাছে তার শিক্ষা গ্রহণ শুরু হয়। ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা না থাকায় সে যাই দেখে সেটা শিখতে চেষ্টা করে। অভিভাবকহীন শিশুরা সঠিক দিক-নির্দেশনার অভাবে ন্যায়-অন্যায় বুঝতে পারে না। তাদের বেড়ে ওঠার মধ্যে ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। সব ক্ষেত্রেই মায়ের উপস্থিতি শিশুর জীবনে পূর্ণতা আনে যদি সে মা সুশিক্ষিত হয়।

আমরা বয়সের সাথে দিনে দিনে বড় হই। প্রকৃত বড় হওয়া আর বেড়ে ওঠা দুটি ভিন্ন বিষয়। আদর্শ মানুষ হিসেবে বড় হতে চাই উপযুক্ত শিক্ষা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় মানুষের শিক্ষার স্থান একথা সত্য কিন্তু জীবনের শুরুতে শিশু বয়সের শিক্ষার বিষয়টি মানুষের জীবনের ভিত্তি হিসেবে মুখ্য ভূমিকা রাখে যা পরবর্তী জীবনকে প্রস্ফুটিত করে। আর এই গুরু দায়িত্ব পালন করেন একজন মা। জীবন গড়তে মায়ের ভূমিকা লিখে শেষ করা যাবে না। আমরা যারা জীবনের সব স্তর পেরিয়ে এসেছি তাদের কাছে বিষয়টি স্বচ্ছ। মা-বাবার অবদান কখনো পরিশোধযোগ্য নয়।

শিশুকে গড়ে তুলতে যিনি নিজের অজান্তেই দায়িত্ব কাঁধে নেন তার শিক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উন্নত জাতি গড়তে মা যাতে উপযুক্ত শিক্ষিত হন সে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিতে হবে।মেয়েদের পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি এ সুযোগ আরও বৃদ্ধি করে কিভাবে আদর্শ মা হতে পারে তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাই।

আমরা নারীদের শিক্ষিত করে তুলতে অবদান রাখতে পারি। ইভ-টিজিং বন্ধে আরো সোচ্চার হতে পারি, সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারি। দেশের উন্নয়নে ছোটো-বড়ো সবারই এগিয়ে আসতে হবে। আমরা চাই আমাদের সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। শিক্ষিত উন্নত জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই বিশ্ব দরবারে। নারীকে শিক্ষিত হতে একান্তভাবে সচেষ্ট হতে হবে। তার জন্য সরকারের পাশাপাশি সবার সাহায্যের হাতে বাড়িয়ে দিতে হবে, তাহলেই উন্নয়ন জাতি গঠন সম্ভব।

নেপোলিয়ান বলেছিলেন, “আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দিব” । এই কথাটির তাৎপর্য ব্যাপক।

আজকের যুগের শিক্ষিত মায়ের প্রয়োজন সর্বক্ষেত্রে। শিক্ষা হলো একটি আলোর মতো যা সর্বক্ষেত্রেই দ্যুতি ছড়াতে পারে।
আমরা জানি পরিবার হচ্ছে একটি সমাজের প্রাথমিক ভিত্তি যেখান থেকে তৈরি হওয়া এক একটি আলোকিত মানুষ এক একটি ইটের মতো একত্রিত হয়ে তৈরি করতে পারে একটি আলোকিত সমাজের ইমারত।

আর এই পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু যদি হয় একজন শিক্ষিত মা তবে সেই পরিবারে র সুসন্তানেরা একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইতি বাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

সুসন্তান তৈরি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া,অনেকটা বীজকে বৃক্ষে পরিণত করার মত। বীজ বপনের পর থেকেই যেমন তার পরিচর্যা শুরু করতে হয় তেমনি একজন সুস্থ সন্তান পাওয়ার জন্য সন্তান গর্ভে আসার পর থেকেই তার প্রতি যত্নশীল হওয়া দরকার।

আর এ ক্ষেত্রে একজন মা যদি তার শিক্ষিত হওয়ার সুবিধাকে কাজে লাগায় যেমন, গর্ভাবস্থায় কোন ধরনের খাবার খাওয়া দরকার, কতবার ডাক্তারের কাছে যাওয়া দরকার, চলাফেরার ব্যাপারে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার প্রভৃতি বিষয়ে বই , ম্যাগাজিন পড়ে কিংবা ইন্টার নেট থেকে তথ্য নিয়ে সে নিজের প্রতি সচেতন হয় তবে সে একটি সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারে।

একইভাবে সন্তান জন্মের পর থেকে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানো, ছয় মাস পর থেকে কি ধরনের খাবার খাওয়ালে, কিভাবে প্রতিপালন করলে তার শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উভয় ধরনের বিকাশ ঘটবে তা জানা ও মানার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষিত মায়ের ভূমিকা হতে পারে অগ্রগণ্য।

এরপর সন্তান যখন কথা বলতে শেখে তখন তার মুখের ভাষা কেমন হবে, কথা বলার সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি কেমন হবে, বিভিন্ন বয়সী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার এবং ভিন্ন ধর্মের মানুষের সাথে তার ব্যবহারের ভিন্নতা কেমন হবে, এমনকি পোশাক নির্বাচন ও সাজ-সজ্জার ক্ষেত্রে তার রুচি কেমন হবে –এসব কিছুর মধ্যেই মা তার শিক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারে তার সন্তানের মাঝে ।

সন্তানের যখন প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু হয় তখন একজন শিক্ষিত মা যদি নিজে তার সন্তানকে পড়ান ,অন্তত প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত পড়িয়ে তার বেসিক তৈরি করে দেন তবে সেই ভিত্তি হয় অনেক মজবুত।

কারণ একজন মা যতটা আন্তরিকতা নিয়ে বিশদভাবে পড়াতে পারেন , অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আসা একজন গৃহশিক্ষকের পক্ষে তা সম্ভব নয়। তাছাড়া মা নিজে পড়ালে তিনি তার সন্তানের দুর্বলতা কিংবা আগ্রহের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারেন যা পরবর্তীতে সন্তানের উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কাজে লাগে।

একটা পর্যায়ে গিয়ে হয়ত সব শিক্ষিত মায়ের পক্ষেই সন্তানকে নিজে পড়ানো সম্ভব হয় না, যেহেতু শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। কিন্তু তখনও যদি একজন মা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সন্তানের উপর পুরোপুরি নির্ভর না করে নিজেও অন্তত মনিটরিং এ রাখেন তবে সন্তান লক্ষ্যচ্যুত হতে পারে না ।

এরপর সন্তান যখন আরও বড় হয় তখন তার পরিচিতের পরিধি বিস্তৃত হয়, জীবন সম্পর্কে নিজস্ব মতামত তৈরি হয় । শুধু “জন্মদাত্রী মা বলেই সারা জীবন তাকে গাইড করার অধিকার আছে ”– এই মনোভাব নিয়ে তখন আর সন্তান কে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না ।

“মা তোমার চেয়ে আগে পৃথিবীতে এসেছে বলে সে তোমার চেয়ে বেশী জানে কিংবা মা যা বলে সন্তানের মঙ্গলের জন্যই বলে”— এই জাতীয় কথা তখন অনেক সন্তানের কাছেই আবেগতাড়িত বাক্য মনে হয় , বাস্তবে গুরুত্ব পায় না ।

তাই এই পর্যায়ে এসে সন্তানের সাথে যেন দূরত্ব তৈরি না হয় সেক্ষেত্রেও শিক্ষাই পারে একজন মাকে সহায়তা করতে। একজন মা যদি প্রতিদিন পত্রিকা পড়ে, অনলাইনের জগৎ, সাম্প্রতিক টেকনোলজি, চলতি বিশ্বের প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে আপডেট থাকেন অর্থ্যাৎ রাজনীতি ,অর্থনীতি, খেলা, বিনোদন, বিজ্ঞান, প্রভৃতি বিষয়ে কোন ট্রেন্ড চলছে তা সম্পর্কে অবগত থাকেন তখন কিন্তু সন্তান তাকে আর ব্যাকডেটেড বলে দূরে সরিয়ে রাখে না।

একজন কলেজ বা ভার্সিটি পড়ুয়া সন্তান তার বন্ধুদের সাথে যে বিষয়ে আড্ডা দিতে পারে সে বিষয় গুলো যখন সে মায়ের সাথেও শেয়ার করতে পারে তখন অনেক বন্ধুদেরর ভীড়েও “মা”ই থাকে তার “বেস্ট ফ্রেন্ড”। জীবনের যে কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে সে তার মায়ের সাথে আলোচনা করে ।

এভাবে একজন শিক্ষিত মায়ের সার্বিক তত্বাবধানে বেড়ে ওঠা একজন সন্তানের ইয়াবার নেশায় আসক্ত হয়ে অপরাধমূলক কাজ করা, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যা করা কিংবা বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে জঙ্গী প্রশিক্ষণ নেয়ার মতো ক্ষতিকর কাজ করার সম্ভাবনা থাকে অনেক কম ।

“প্রতিটি মানুষেরই যে সমাজের প্রতি ভালো কিছু করার দায়বদ্ধতা আছে ”–এই বোধ একজন সন্তানকে সুসন্তানে পরিণত করে।আর এর কৃতিত্ব একজন শিক্ষিত মায়ের।

তাই আমার মতামত শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নেয়ার পরও পারিবারিক বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে চাকরী করতে পারছেন না বলে যেসব মায়েরা হতাশায় ভুগছেন তাদের প্রতি আমার আহ্বান , “এত লেখাপড়া শিখেও জীবনে কিছুই করতে পারলাম না” বলে হীনমন্যতায় না ভুগে আপনারা আপনাদের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে এক একজন আদর্শবান সুসন্তান গড়ে তুলুন।

যারা সমাজের আলোক বর্তিকা হিসেবে কাজ করবে আর সেই সাথে এটাও প্রমাণ করুন যে, শিক্ষা মানে শুধু ডিগ্রী বা সার্টিফিকেট নয় বরং শিক্ষা মানে হলো “ আলো “ যা সমাজের অন্ধকার দূর করতে শিক্ষারূপী আলোর ভূমিকা চিরন্তন ও অনস্বীকার্য।তাই সর্বশেষে বলা যায় যে সুসন্তান তৈরিতে, আলোকিত মানুষ তৈরিতে, আদর্শ এবং উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষিত মায়ের ভূমিকা ব্যাপক।


লেখক : অর্থ সম্পাদক, ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদ।

 

 

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের চূড়ান্ত ও যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা

নাজির আহমাদ মিয়াজী

ইসলাম একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা এলাকাভিত্তিক ধর্ম নয়, ইসলাম হলো বিশ্বধর্ম।তাবৎ দুনিয়ার প্রতিটি জনপদে ইসলামের অনুসারী আছে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এমন দেশের সংখ্যাই আছে অর্ধশতকেরও বেশি। ইসলাম একটি সার্বজনীন জীবন দর্শনের নাম।ইসলামের মতো জীবনঘনিষ্ঠ ও সময়োপযোগী জীবন দর্শন দুনিয়ায় আরেকটি নেই।

হযরত মুহাম্মদ স.-কে পাঠানো হয়েছে শুধু মুসলমানদের জন্যে নয়, সমগ্র মানব জাতির জন্যে।ইসলামের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, সহিষ্ণুতা এবং সৌভ্রাতৃত্ব।পরমতসহিষ্ণুতা হলো এর অলংকার, আকাশছোঁয়া উদারতা হলো ইসলামের গৌরবোজ্জ্বল আবহ। স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার ইসলামের অভাবনীয় সৌন্দর্যের একটি।

চলমান সভ্যতার বহুল আলোচিত এবং চির কাংখিত যে কয়েকটি বিষয় আছে তন্মধ্যে অন্যতম হলো সাম্য, মৈত্রী,মানবিক মর্যাদা আর সামাজিক ন্যায়বিচার।এ বিষয়গুলো ইসলাম শুধু থিউরিক্যালি কোরআন হাদিসে উদ্ধৃত করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তব প্রয়োগ করেও দেখিয়েছে।সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব, মানবিক মর্যাদা আর ইনসাফ তথা সামাজিক ন্যায়বিচার -এ টার্মগুলো গৃহীত হয়েছে ইসলামী জীবন দর্শন থেকেই।

মানবজাতির উন্নত জীবনের সওগাত নিয়ে ইসলাম এসেছে পৃথিবীতে। সাম্প্রদায়িকতার নিম্ন মানসিকতার কোনো স্থান ইসলামে নেই। এক্ষেত্রে সংকীর্ণতার অন্ধকার ইসলামী জীবনবোধকে কলুষিত করেনি। আলহামদুলিল্লাহ।

ইসলামের যে বিষয়টা আমাকে দারুণভাবে বিমোহিত করে,সেটা হলো -ইসলাম রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত যে কোনো ধর্মের নাগরিক নিজ ধর্ম-কর্ম পালনসহ সব ধরনের মানবাধিকার লাভ করে।ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত অমুসলিমদের কোনো প্রকার অন্যায়-অনাচার নির্যাতন-নিপীড়নের কোনো বৈধতা ইসলামে নেই।এটা ইসলামের অনবদ্য সৌন্দর্যের প্রতীক।

পাঠক হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, মাঝেমধ্যে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম রাষ্ট্রে তো সংখ্যালঘু অমুসলিমদের উপর হামলার ঘটনা দেখা যায়(রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল কিংবা কোনো দূরভিসন্ধি বা অতিউৎসাহী কারো দ্বারা)। এক্ষেত্রে আমরা বলব যে, নামধারী মুসলিম শাসকদ্বারা শাসিত মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র,আর কোরআন সুন্নাহদ্বারা পরিচালিত ইসলামী রাষ্ট্র- এক জিনিস নয়।

মুসলিম নামধারী কোনো ব্যক্তি যদি অতিউৎসাহী হয়ে অমুসলিমদের উপর অন্যায় করে কিংবা উপাসনালয়ে আক্রমণ বা ভাংচুর করে-এর দায় ব্যাক্তির নিজের,এর দায় শাসকের-যে দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।এর দায় তো কোনোক্রমেই ইসলামের উপর বর্তায় না।অনেক অমুসলিম বুদ্ধিজীবী,সমালোচক এক্ষেত্রে ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন,হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে ব্যঙ্গ করেন।

তারা যদি জানতেন ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত অমুসলিমদের কি অধিকার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইসলাম কি যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা দিয়েছে-তবে তারা‌ অবশ্যই অন্ধকার ঘুচিয়ে ইসলামী জীবনাদর্শের সুষমাভরা এক সোনার তোরণের দিকে জীবনের গতিপথ অনুসন্ধান করতেন।

সুপ্রিয় পাঠক,চলুন এবার আমরা দেখে আসি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইসলামমের কয়েকটি দিকনির্দেশনা।
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,”কোনো‌ সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায় বিচার বর্জনে প্ররোচিত না করে।ন্যায় বিচার করবে।ইনসাফ করবে,এটাই তাকওয়া-খোদাভীতির নিকটতর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমরা যা কর তার সম্যক খবর রাখেন।”(সুরা মায়িদা:৮)
অন্য আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে,দ্বীন-ধর্ম সম্পর্কে কোনো জোর-জবরদস্তি নেই।(সুরা বাকারা:২৫৬)

কোনো অমুসলিমকে ইসলাম গ্রহণের জন্য বল প্রয়োগ করা যাবে না। ইসলাম মানুষকে মানুষ হিসেবে সম্মান দিতে শেখায়।মানুষের মানবিক মর্যাদার ক্ষেত্রে ধর্মের বিবেচনা ইসলামের কাছে গৌণ।
কোরআন প্রত্যেক আদম সন্তানকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দেয়ার কথা বলেছে।(সুরা বনী ইসরাঈল:৭০)
শুধু মানবজাতিই নয় বরং সকল জীবের প্রতি দয়া সহানুভূতির শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয় এমন কোনো বিধান ইসলামে নেই।

এজন্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষতার কোনই প্রয়োজন পড়েনা। বরং রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম হওয়া সত্ত্বেও ধর্মীয় সংখ্যালঘু নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্র থাকে প্রকৃত অর্থেই নিরপেক্ষ, সহানুভূতিশীল ও পরধর্ম সহিষ্ণু।আমরা বিশ্বাস করি কোনো দেশে ইসলামের বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে সকল ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নিরাপত্তা,অধিকার নিশ্চিত হয় সর্বতোভাবেই। মদীনার আদর্শ রাষ্ট্রে বাস্তবে যেটা করেছিলেন রাসুলে আরাবী স.। মদিনা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়া সত্ত্বেও সকল ধর্মের অনুসারী নাগরিকদের সার্বিক নাগরিকাধিকার সুনিশ্চিত করেছিলেন মহানবী স.।

জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের মানবিক ও ধর্মীয় অধিকার সুনিশ্চিত করতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাথে তিনি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদন করেন। ইতিহাসে তা মদীনা সনদ হিসেবে হাজার বছর ধরে প্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছে।
এই যুগান্তকারী সনদ সম্পাদনের মাধ্যমেই পরস্পর যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত বহু জাতীয় সম্প্রদায়গুলোর মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
রাসুলে কারীম স.ঘোষণা করেন-যে ব্যক্তি কোনো সংখ্যালঘু যিম্মির প্রতি জুলুম , অত্যাচার,অনাচার করবে, মানহানি করবে,তাকে তার সামর্থের অধীক কাজে বাধ্য করবে অথবা তার সন্তুষ্টি ছাড়াই তার কোনো কিছু ছিনিয়ে নিবে,কিয়ামতে আমি তার প্রতিপক্ষ হব।(আবু দাউদ শরীফ)।
অন্য এক হাদীসে রাসুল স. বলেছেন -যে ব্যক্তি কোনো (সংখ্যালঘু)যিম্মিকে কষ্ট দেয় সে যেনো আমাকেই কষ্ট দেয়।যিম্মিদের রক্ত আমাদের রক্তের ন্যায়।
অর্থাৎ ইসলামী রাষ্ট্রে একজন মুসলমানের জীবনের যতটুকু নিরাপত্তা রয়েছে অনুরূপ নিরাপত্তাই রয়েছে একজন অমুসলিম সংখ্যালঘু নাগরিকের।(কানযুল উম্মাল)।

অর্ধ পৃথিবীর শাসক উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর শাসনামল ইনসাফ,সাম্য,মানবিক মর্যাদা আর সামাজিক ন্যায়বিচারের চিত্রটা আলোকবর্তিকা হয়ে আজো জ্বলজ্বল করছে ইতিহাসের পাতায়।

হযরত উমর রা.-এর শাসনামলে জেরুযালেম অধিকৃত হলে তিনি খৃষ্টানদের ধর্মীয় ও নাগরিক স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রেখেছিলেন।মুসলমানরা একটি গির্জাকে মসজিদে রুপান্তরিত করলে তিনি প্রাদেশিক গভর্নরকে সেই মসজিদটি পুনরায় গির্জায় রূপান্তরিত করার নির্দেশ দেন দুর্দণ্ড প্রতাপশালী অর্ধেকটা দুনিয়ার মুসলিম শাসক উমর রা.।

অথচ আজ তথাকথিত মানবতার ফেরিওয়ালা,সভ্যতার ধারক দাবীদার পশ্চিমা মদতপুষ্ট ইসরাইল সামান্য ক্ষমতা পেয়ে মাজলুম নিরীহ ফিলিস্তিনীদের ধর্মীয় অধিকার আর নাগরিক সুবিধা দিবে তো দূরে থাক,নিজের মাতৃভূমিতে বেঁচে থাকতেই দিচ্ছে না।।

হযরত উমর ফারুক রা.- জীবনের অন্তিম ক্ষণে অমুসলিমদের ব্যাপারে এ মর্মে উপদেশ দিয়েছিলেন,আমি আমার পরবর্তী খলিফাকে এ মর্মে অসীয়ত করছি যে,তিনি যেনো অমুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন,নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেন,তাদের ধর্মের ব্যাপারে কোনো হস্তক্ষেপ না করেন।।

হযরত মুহাম্মদ স.-এর যুগ থেকে আজ পর্যন্ত ইসলামের সুদীর্ঘ কালের ইতিহাস এ কথাই সাক্ষ্য দেয় যে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেখানেই মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ট ছিল সেখানেই মুসলমানরা অমুসলিমদের প্রতি সম্প্রীতি প্রদর্শন করেছে।এটা শুধু আমাদের কথা নয় বরং অসংখ্য অমুসলিম শিক্ষাবিদ,গবেষক, মনীষা দ্বিধাহীন চিত্তে এটা স্বীকার করেছেন।

স্যার উইলিয়াম মুর তার “Muhammad and Islam”(London 1815) গ্রন্থে লিখেছেন “It is beyond question that Islam is a pure monistic code of justice and humanity and A symbol of tolerance.”

বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ফরাসি রাষ্ট্রনায়ক নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বর্ণনা করেছেন- Only the principles of the Quran are true and only they are capable of guiding people to the path of happiness,( বোনাপার্ট এট আই ইসলাম: চারফিলসকৃত প্যারিস, page 105-125)

মোটাদাগে আমরা বলতে পারি এ বিষয়টি আজ সূর্যালোকের মতো স্পষ্ট যে,মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে সংখ্যালঘু অমুসলিম সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি নিরাপদ,কারণ আমাদের নবী স. সংখ্যালঘু অমুসলিমগণ কে আমাদের কাছে পবিত্র আমানত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বাংলাদেশ একটি সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দেশ হিসেবে এর রয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হাজার বছরের এক গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

পক্ষান্তরে তথাকথিত ধর্ম নিরপেক্ষ দাবীদার ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে সহস্র বারের চেয়ে বেশি।। এতে শহীদ হয়েছে হাজার হাজার মুসলমান। রাষ্ট্রীয় আয়োজনে মসজিদ ভাঙ্গা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।তাবৎ দুনিয়ার কোথাও ভারতের মতো এমন অভিশপ্ত সরকার ব্যবস্থা নেই যেখানে রাষ্ট্রীয় মদদে মসজিদ ভাঙ্গা হয়।
অথচ প্রিয় নবী স. যেকোনো ধর্মীয় উপাসনালয় এবং ধর্ম যাজকদের হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ -এর একটি উক্তি দিয়ে প্রবন্ধটির ইতি টানছি-
“ইসলাম হলো সাম্য, মৈত্রী এবং সৌভ্রাতৃত্বের ললিত বাণীর আকর। ইসলাম হলো উন্নত জীবনবোধের পতাকাবাহী জীবনঘনিষ্ঠ নৈতিকতার গভীর খনি।তাই যে কোনো পর্যালোচনা অনুসন্ধান করুন, ইসলামের তাত্ত্বিক দর্শনের দিকে দৃষ্টি দিন অথবা এর ব্যবহারিক ও প্রয়োগিক দিকে দৃষ্টি দিন নিরপেক্ষ ভাবে,ইসলামের অন্তর্নিহিত সামর্থ আর উন্নত জীবনাদর্শ দেখে আপনি মুগ্ধ হবেন সর্বতোভাবে।।

লেখক: শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ ঝিকুটপত্র
Theme Customized By Shakil IT Park