
জাতীয় ও বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে যুবকদেরই এগিয়ে আসতে হবে
ফাহিম শেখ : স্বেচ্ছাসেবা শব্দটি মনে আসলে যে বাক্যটি মনে পরে সেটি হলো “বিনা সার্থে কাজ করা” আমাদের গ্রাম অঞ্চলে বলে “নিজের খেয়ে বনের মহিষ তারানো” কিন্তু যারা এই স্বেচ্ছাসেবায়ই নিজেকে উজার করে দেয় তারা বিনা স্বার্থে হলেও একটি মহান জিনিষ পায় যা আর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না সেটি হলো অমূল্য ভালোবাসা। আমিই ফাহিম শেখ ২৪ বছরের যুবক জন্ম ও বেড়ে উঠা মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার ছোট সুন্দর গ্রাম ইছাপুরায়।পড়াশোনার বিষয়টি ছিল মানবিক। বর্তমানে অনার্স ৩য় বর্ষে সমাজকর্ম বিভাগে অধ্যায়নরত। ছোট বেলা থেকেই মানুষ ও সমাজের জন্য কাজ করার প্রতি ছিলো অবাদ আগ্রহ। নিজের জন্য তো আমরা অনেক কিছু করি দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করা দরকার। এই দেশ আমার এই সমাজ আমার। সকল বাধা বিপত্তি পার করে আমাদের উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে হবে। এই চিন্তা করে নেমে গেলাম ২০১৭ সাল থেকে। পথ চলাটা অনেক কষ্টের ছিল। অনেক প্রতিকূলতা অনেক শ্রম দিয়ে নিজের কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করছি। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সংস্থার সাথে একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছি। কমিউনিটি উন্নয়নে বিভিন্ন ভাবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি সমাজ ও দেশের মাঝে। SDG গোল বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছি একজন যুবক হিসেবে। স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবা জোরদার করনে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রেখেছি। সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করছি। আমার বাড়ি গ্রাম পর্যায়ে থাকার ফলে অনেক কুসংস্কার রয়েছে তা সমাধানে সমাজের সচেতনতা বাড়াতে কাজ করেছি। তথ্যের অধিকার ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণ কে সচেতন করেছি। যুব সমাজকে লাইফ স্কিল শিখিয়ে সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগাচ্ছি। মাদক প্রতিরোধ এ সমাজে ভূমিকা রাখছি। অনলাইন আসক্তি থেকে রক্ষায় কাউন্সিল করছি। বাল্য বিবাহ রোধ ও নারী ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছি। সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষের জন্য কথা বলছি এডভোকেশি ও লবিং করছি। করনা কালে বিশেষভাবে অবদান রাখায় জাতিসংঘ ভলান্টিয়ার বাংলাদেশ ও যুব ক্রীড়া মন্ত্রনালয় থেকে সেরা স্বেচ্ছাসেবি পুরুষ্কার পেয়েছি। কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি এখনো আমি বিশ্বাস করি যুবরা যদি এগিয়ে আশে পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
লেখক : সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইয়ুথ ম্যাপ গ্রুপ’।