1. admin@jhikutpatra.com : সম্পাদক : আশরাফ ইকবাল
  2. atiqnayanmcjdu@gmail.com : atique nayan : atique nayan
  3. sheikhrupu@gmail.com : শেখ রুপু : শেখ রুপু
  4. shahriar40-371@diu.edu.bd : Shahriar Tanvir Refat : Shahriar Tanvir Refat
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন অব মালখানগরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, সভাপতি সোহেল ও সম্পাদক বাহার পুনর্নির্বাচিত অচেনা সেই আলোর হাত ছটকু আহমেদের সাথে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: তরুণ সমাজকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা অনস্বীকার্য সাংবাদিক আশরাফ ইকবালের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের গাছের চারা দিলেন তরুছায়া লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক আশরাফ ইকবালের শুভ জন্মদিন এইচনূর ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন বাহারের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ এন এম হুমায়ূন কবির সাগরের শুভেচ্ছা ঝিকুট ফাউন্ডেশনের নতুন উপদেষ্টা হলেন সৈয়দ হোসেন নয়ন

শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে সামাজিক সংগঠনের করনীয়

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩
  • ৫৭৯ বার পঠিত
social activism sirajdikhan

শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে সামাজিক সংগঠনের করনীয়

বিশেষ প্রতিবেদন : শিক্ষা একটি জাতির উন্নতির পূর্বশর্ত হলেও, আমরা শিক্ষা খাতে পিছিয়ে আছি। যেখানে বলা হয়ে থাকে শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড আমরা কি সেই মেরুদণ্ড নিয়ে ভাবছি!!!

-শিক্ষা হলো সভ্যতার রূপায়ন। সমাজের সব কিছু সুন্দর করে সাজাতে পারি যদি সকলের মাঝে আদর্শ শিক্ষার হার বাড়াতে পারি।

শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে সামাজিক সংগঠনের সংগঠকদের ভাবনা।

  • আর্থিক সহায়তাঃ দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা যখন থমকে যায় আর্থিক স্বচ্ছলতার কারণে। তখন তাদের পাশে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন সংগঠন গুলো, এতে করে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে।
  • বাল্যবিবাহঃ বর্তমান সময়ে সরকার বাল্যবিবাহ রোধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিলেও ফলপ্রসূ হচ্ছে না। আর এতে করে শিক্ষা জীবন থেকে ছিটকে পড়ছে অনেকে। সামাজিক সংগঠন গুলো বাল্য বিবাহ রোধে এগিয়ে আসলে এবং সচেতন করলে শিক্ষার হার বাড়ানো সম্ভব।
  • মানসিকতার পরিবর্তন বা মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এই ক্ষেত্রে সামাজিক সংগঠন গুলো অনেক ভূমিকা পালন করতে পারে।
  • শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমেও শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা সম্ভব।
  • উৎসাহ মূলক কর্মসূচীঃ সামাজিক সংগঠন তাদের দায়বদ্ধতা থেকে শিক্ষা বিষয়ক কোন কর্মসূচী গ্রহন করার মাধ্যমে পড়াশোনা করা কেন দরকার সবার সেই সম্পর্কে বিভিন্ন উৎসাহ মূলক কাজ করতে পারে।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করার মাধ্যমে শিক্ষার হার বাড়ানো সম্ভব। সংগ্রঠন গুলো যদি এমন উদ্যোগ নেয়, তাহলে শিক্ষার হার বহুগুণে বেড়ে যাবে।
  • শিক্ষার জন্য ফান্ড গঠনঃ সামাজিক সংগঠন গুলো শিক্ষার জন্য আলাদা ফান্ড গঠন করার মাধ্যমেও শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা সম্ভব।

সামাজিক সংগঠন গুলো শিক্ষা ক্ষেত্রে যুগ যুগ ধরে অবদান রেখে আসছে। যার ফলে আগের তুলনায় শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। সংগঠনের পাশাপাশি সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার হার অনেকাংশে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।


এডভোকেট মাহমুদ হাসান
জেলা সমন্বয়ক, বিডি ক্লিন মুন্সিগঞ্জ।


শিক্ষা মানে আলো, আর অজ্ঞতা মানে অন্ধকার।

  • শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে। জীবনকে সুন্দর ও সম্মানিত করে। এ বার্তা সমাজের প্রতি মানুষের মনের গহিনে পৌছানোর জন্য লিফলেট ও বিভিন্ন সেমিনারের আয়োজন করতে পারে।
  • বিক্রমপুরের মানুষ বেশির ভাগ প্রবাসের দিকে ঝুঁকে থাকে তাই বেশি পড়ালেখা করতে চায় না। অতাদের বুঝাতে হবে শিক্ষিত হয়ে বিদেশ গেলে সম্মানের চাকরী পাবে ও টাকা অনেক বেশি ইনকাম করতে পারবে।
  • প্রতিটি স্কুল, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লিস্ট করে তাদের খোঁজ খবর রাখতে হবে যেন পড়ালেখা না ছেড়ে দেয়।
  • প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী যেন রুটিন অনুযারী প্রতিদিন পড়ালেখা করে সেটার প্রয়োজনীতা ও গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে।
  • যারা পড়ালেখা করে না, খারাপ মাইন্ডের এমন ছেলে/মেয়ে থেকে দূরে থাকতে বলতে হবে।
  • শিক্ষিত হয়ে কৃষক হলেও সে ভাল ফসল উৎপন্ন, মাছ চাষ, খামার করে অশিক্ষিতদের থেকে অনেক আগাতে পারবে এগুলা তুলে ধরতে হবে।
  • কোন ছাত্র-ছাত্রী ফেল করলে তাকে বুঝাতে হবে সে যেন আবার পরীক্ষা দেয়। কারণ অনেক ব্যক্তি ফেল করেও পরে আবার পরীক্ষা দিয়ে ভাল করেছে পরে সে অনেক বড় সফল হয়েছে।
  • প্রতি বছর পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করলে পুরুষ্কৃত করা হবে এভাবে উৎসাহিত করতে হবে।
  • মেট্রিকের আগে কোন ছাত্র-ছাত্রীকে যেন মোবাইল না দেয় অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।
  • প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে এদিকে উৎসাহিত করতে হবে। কারণ প্রতিটি ধর্মে শিক্ষার গুরুত্ব দিয়েছে।

– শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিপি
ন্যাচারালিস্ট, চিকিৎসক, (ডিইউএমএস) হাবিবুর রহমান ইউনানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
আকুপাংচার, হিজামা কাপিং ও চাইনিজ ট্রেডিশনাল থেরাপিস্ট।
প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, আলোর পথে সেবা সংঘ।
প্রতিষ্ঠাতা, আলোর পথে বিডি রক্তদান সংস্থা।


  • সংগঠনগুলো ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পড়ালেখার জন্য উৎসাহিত করতে পারে।
  • দরিদ্র মেধাবীদের বেতন দিয়ে সহযোগিতা।
  • বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য হুইলচেয়ার ব্যবস্থা করা।
  • মেধাবৃত্তি শুরু করা।
  • বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের কাছ থেকে কবিতা, গল্প, ছড়া ইত্যাদি লেখা চাওয়া।

– শুভঙ্কর কুন্ডু
শিক্ষক ও সংগঠক


আমি মনে করি শিক্ষার হার বৃদ্ধি করার জন্য সবার আগে গার্ডিয়ান সচেতন করতে হবে।
প্রয়োজনের প্রত্যেক স্কুলের গার্ডিয়ানের সাথে মিটিং করা।
স্কুল ম্যানেজমেন্টের সাথেও আলোচনায় বসা যেতে পারে
বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার সুফল সম্পর্কে আলোচনা করা যেতে পারে সেই সাথে ভালো চাকরি পেলে কতটা সম্মানিত থাকা যায় সে বিষয়ে সচেতন করা
পাশাপাশি তাদের মাথায় দিয়ে দিতে হবে শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি সাকসেস হতে পারে না জীবনে প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।
সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ চাইলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকএবং পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের থেকেও প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনা এবং সার্বিক ব্যবস্থার খোঁজখবর নিতে পারে
যাতে করে ঐ প্রতিষ্ঠানে সহজেই হস্তক্ষেপ করা যায় যাতে করে ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সহজে কাজ করা যেতে পারে।


বায়েজীদ খান

সাধারণ সম্পাদক, ইউথ ফাউন্ডেশন। 


শিক্ষাক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সিরাজদিখান উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থাকে এক অনন্য অবস্থানে নিয়ে গেছে। গড়ে উঠেছে নতুন নতুন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা। এবং নতুন ভবন নির্মানের মাধ্যমে পুরোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পেয়েছে নতুন রূপ। সরকারি এবং বেসরকারি নানান উদ্যোগের কারনেই এটা সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমরা এটাও চাই যে আমাদের ছোট ভাই বোনেরা শিক্ষালাভ করে মানুষের মতো মানুষ হোক। কিন্তু আমরা হতাশ হই যখন শুনতে পাই সিরাজদিখানে শিক্ষার হার কমছে। সিরাজদিখানের শিক্ষাক্ষেত্রের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি আমি মনে করি স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলোরও কাজ করা উচিত। আমি যখন দেখি এরকম কিছু সামাজিক সংগঠন শিক্ষা, সংস্কৃতি, এবং জ্ঞানের প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে তখন আমি আবার আশায় বুক বাধি। ঝিকুট তাদের মধ্যে অন্যতম। সিরাজদিখানে শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে সামাজিক সংগঠনগুলোর যেসব ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি:

  • সিরাজদিখানের মানুষের বিদেশে যাবার প্রবণতা বেশী। বেশীর ভাগ ছাত্র দ্রুত স্কুল ত্যাগ করে প্রবাসে পারি জমায়। পর্যাপ্ত শিক্ষা ও জ্ঞানের অভাবে নানান বিপদের সম্মুখীন হয়। সেজন্য, শিক্ষিত হয়ে প্রবাসে যাবার উপকারিতা বুঝিয়ে স্কুলে স্কুলে সেমিনার করা উচিত।
  • প্রত্যেকটি গ্রামকে কেন্দ্র করে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা উচিত। তাছাড়া, স্কুল কলেজের লাইব্রেরিগুলো যাতে ছাত্রদের জন্য পর্যাপ্ত বই থাকে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
  • স্কুল, কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসাগুলোতেও সমানতালে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
  • শিল্প-সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চার জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে। এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত শিক্ষাসফর করা উচিত। এটা তাদের জ্ঞানের বিকাশ ঘটাতে সহায়ক হবে।
  • শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তির ব্যবস্থা করলে দরিদ্র অসহায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পরা কমাবে।
  • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মাসে একটি করে শিক্ষা সমাবেশ করা যেতে পারে। সেখানে নিয়মিত ভাবে উপজেলার জ্ঞানী-গুনী মানুষেদের অতিথি করে আনা উচিত। তাতে শিক্ষার্থীরা তাদের আইডল খুঁজে পাবে। সমাজের জ্ঞানী-গুনীদের সংস্পর্শে থাকলে তারাও স্বপ্নদ্রষ্টা হয়ে এগিয়ে যাবে।
  • শিক্ষার্থীদের উপর কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি তাদের বাবা-মাকে বিশেষ ভাবে সম্মানিত করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে পরিবারগুলো সন্তানদের শিক্ষালাভে আরো বেশী উৎসাহী হবে।
  • বয়স্ক শিক্ষার প্রসারে কাজ করতে হবে। সমাজের সকল স্তরে অক্ষর জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে হবে। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো যেতে পারে। এতে তাদেরও দক্ষতা বাড়বে।
  • মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং গ্রামে গ্রামে সভা সমাবেশের আয়োজন করা যেতে পারে। মাদকের কুপ্রভাব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ধংস করে দিচ্ছে।
  • ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, পর্ণোগ্রাফি, মোবাইল গেইমসসহ নানান ধরনের বাজে অভ্যাস এর বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে হবে। এসব যেনো শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সামাজিক শৃংখলায় প্রভাব ফেলতে না পারে সেজন্য কাজ করতে হবে।

হাসান রোমেল

প্রবাসী


 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ ঝিকুটপত্র
Theme Customized By Shakil IT Park