ঝিকুটপত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বেলা ১ টায় সিরাজদিখান প্রেসক্লাবে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের মুখপত্র ঝিকুটপত্রের মোড়ক উন্মোচন সম্পন্ন হয়।

ঝিকুটপত্রের উপদেষ্টা সম্পাদক কেএন ইসলাম বাবুল ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি আব্দুল্লাহ কাদেরের নেতৃত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরীফুল আলম তানভীর ঝিকুটপত্রের মোড়ক উন্মোচন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক, সমাজসেবা অফিসার সুমন মধু, মানবাধিকার কর্মী ও ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সাগর, কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মিন্টু, লতব্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোক্তার হোসেন, সিরাজদিখান প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের সহ সভাপতি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্য শামিম হাওলাদার, শেখ রুপু, শাহিদুল হাসান শাওন, জাহাঙ্গীর আলম, সাবনাজ আক্তার সম্পা, শোভন সারোয়ার, মো. রুবেল বেপারী প্রমুখ।

শিক্ষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রশাসন, খেলাধুলা, শিল্প, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ সুজলা-সুফলা বিক্রমপুরের রয়েছে হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস। সুপ্রাচীন চন্দ্ররাজাদের তাম্রশাসনের অঞ্জলি থেকে শুরু করে পাল, সেন, মোঘল, বার ভূঁইয়াদের কীর্তিতে সমুজ্জ্বল হয়ে একটি স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজধানী বিক্রমপুরের কীর্তিময় অংশ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত অতিপ্রাচীন জনপদ বিক্রমপুর। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ বিক্রমপুর নামে বিক্রমপুর দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। দক্ষিণ বিক্রমপুরকে ১৮৬৯ সালে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত করা হয়। বাকিটা মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর, সিরাজদিখান, শ্রীনগর, লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ি মোট ৫টি উপজেলা নিয়ে উত্তর বিক্রমপুর গঠিত হয়। বিক্রমপুরের হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম সংস্কৃতির মিলিত সভ্যতার অপরূপ কারুকার্য ও শিল্প, মুর্তি, শিলালিপি, খোদাই করা কারুকার্যস্তম্ভ, ভাস্কর্য ঢাকা জাতীয় জাদুঘরে স্তরে স্তরে সাজানো আছে। তাই বিক্রমপুরের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষে তথা সমগ্র বাংলাদেশের তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা।