
ঝিকুট ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি:
১. ঝিকুট ফাউন্ডেশন এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালাবে।
২. ঝিকুটের সদস্যদের অনাবিল চিত্তবিনোদনের জন্য দেওয়াল পত্রিকা, পুস্তিকা, ম্যাগাজিন, সাময়িকী, সংবাদ বুলেটিন, শিক্ষা বিষয়ক পত্র-পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা অন্যান্য প্রকাশনা, সঙ্গীতানুষ্ঠান, মাহফিল, ক্রীড়া, নাটক, আবৃত্তি, সাহিত্য আড্ডা, সাহিত্য কর্মশালা, বই মেলা, বাণিজ্য মেলা, নৌকা বাইচ, শীতের পিঠা উৎসব, মাছ ধরার উৎসব, নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন, পাঠাগার প্রতিষ্ঠাকরণ ইত্যাদি শিল্প-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারবে।
[caption id="attachment_805" align="alignright" width="200"]
ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৩ এর সদস্যদের একাংশ।[/caption]
৩. মেধা বিকাশের লক্ষ্যে ঝিকুট ফাউন্ডেশন বই পড়া কর্মসূচি, বিতর্ক সভা, সাধারণ জ্ঞান, আলোচনা সভা, সিম্পোজিয়াম, সেমিনার, রচনা প্রতিযোগিতা, শিক্ষা বিষয়ক সম্মেলন, গবেষণা প্রকল্প ইত্যাদি শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
৪. ঝিকুট সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ থেকে জনগণকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ইংরেজী শেখা, মটিভেশনাল ক্লাশ, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বয়স্ক শিক্ষা, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, লেখাজোখা, ফটোগ্রাফী, আবৃত্তি, নৃত্য, সংগীত, নাটক, গান, চিত্রাঙ্কন, চলচ্চিত্র প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করতে পারবে।
[caption id="attachment_97" align="alignright" width="200"]
ঢাকায় ঝিকুটের মাটি কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন।[/caption]
[caption id="attachment_1735" align="alignright" width="200"]
বালুচরে ঝিকুটের ঈদ পুনর্মিলনী।[/caption]
৫. ঝিকুট সদস্যদের সদা সতেজ ও প্রফুল্ল রাখতে বনভোজন, পরিবার দিবস, গেট টুগেদার, নবীন বরণ, ঝিকুটের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী, ইফতার পার্টি, ঈদ পুণর্মিলনী, চিত্র প্রদর্শনী, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহ নিয়মানুযায়ী পালন করতে পারবে।
৬. ঝিকুট সদস্যদের পরিচিতি এবং যোগ্যতা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ভাবমূর্তি সম্পন্ন প্রবীণ হিতৈষী শিল্প, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলবে।
৭. একটি সুন্দর, মধুর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণে ঝিকুট নারী নির্যাতন বন্ধ, এসিড সন্ত্রাস প্রতিরোধ, মাদক বিরোধী, ইভটিজিং রোধ প্রভৃতি কর্মসূচি পালন বা পালনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারবে।
৮. সংগঠক, সাংবাদিক, লেখক, কবি, ছড়াকার, প্রবন্ধকার, উপন্যাসিক, নাট্যকার, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, মেধাবী শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী, সমাজসেবী, স্বেচ্ছাসেবী, ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী, পরিবেশ কর্মী, গবেষক ও শিল্পীদের প্রতিভা বিকাশে সহযোগিতা ও উৎসাহিত করা এবং তাদের বিশেষ কৃতিত্বের জন্য গুণীজন সম্মাননা প্রদান করতে পারবে।
[caption id="attachment_2052" align="alignnone" width="300"]
ঝিকুট ফাউন্ডেশন শিক্ষাবৃত্তি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ২২[/caption]
৯. দেশের কোথাও দুর্ভিক্ষ, বন্যা, ঝর, খরা, মহামারী কিংবা যে কোনো প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে সেখানে যথাসাধ্য সবরকম সাহায্য প্রদান করতে পারবে।
১০. শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিমনা, মেধাবী, সৃজনশীল, শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে পারবে।
আরও পড়ুন আপনি কেনো ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্য হবেন
১১. মাতৃভূমি এবং মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দেশাত্মবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নৈতিক মূল্যবোধ ও আত্ম-সম্মানবোধ জাগ্রত করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করতে পারবে।
[caption id="attachment_117" align="alignnone" width="300"]
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সাহিত্য সমাজে সমকালীন বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা।[/caption]
১২. সমাজের বয়স্ক, বিধবা, এতিম, দুস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী, দুর্ঘটনা কবলিত বা রোগাক্রান্ত মানুষ, টোকাই, বস্তি, পশ্চাৎপদ, ভিক্ষুক, ভবঘুরে ও ভাসমান জনগোষ্ঠিকে বিনামূল্যে খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করতে পারবে।
১৩. সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সামাজিক বনায়ন বা বৃক্ষরোপন কর্মসূচি গ্রহণ, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং কৃষি, মৎস্য, পশু পালন, হাঁস মুরগীর খামার ইত্যাদি স্থাপন করতে পারবে।
১৪. মেধাবী দরিদ্র, দুস্থঃ, অসহায় ও অনাথ শিশুদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বস্ত্র বিতরণ এবং শিশুদেরকে অন্যায়, অশিক্ষা, কুসংস্কার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক নিষ্ঠুরতা (শিশু শ্রম, শিশু নির্যাতন ইত্যাদি) থেকে রক্ষা করে মুক্ত চিন্তার বিকাশে সহায়তা করতে পারবে।
[caption id="attachment_50" align="alignright" width="200"]
মুক্তিযোদ্ধা জামাল চৌধুরীর স্মরণ সভা।[/caption]
১৫. ঝিকুটের নিজস্ব ভবন তৈরি করে সেখানে ঝিকুটের অফিস, পাঠাগার, গবেষণা সেল তৈরি করা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ হল নির্মাণ করতে পারবে।
১৬. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
১৭. সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের সমন্বয় সাধন করতে পারবে।
১৮. মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা সমুন্নত রেখে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে গবেষণাধর্মী কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারবে।
১৯. মানবসম্পদ, শিক্ষার মান ও তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করতে পারবে।
২০. জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।
২১. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে সহায়তা করতে পারবে।
২২. ঝিকুট দেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের পেশাগত অসুবিধাসমূহ ও তাদের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশের পথে যেসব অন্তরায় বিদ্যমান সেসব দূরীকরণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে।
[caption id="attachment_86" align="alignright" width="200"]
ঝিকুট ফাউন্ডেশনের লোগো উন্মোচন।[/caption]
২৩. শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও নকল বন্ধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ ও জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবে।
২৪. প্রজাতন্ত্রের স্বার্থে সরকারের পাশাপাশি সমাজের যে কোনো ধরনের অপরাধ-অপকর্ম ও অনিয়মের স্থির চিত্র, ভিডিও চিত্র ধারণ পূর্বক স্বাক্ষী হিসেবে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারবে এবং জনসাধারণের মধ্যে প্রদর্শন করতে পারবে।
২৫. রক্তদান কর্মসূচি পালন করতে পারবে।
ঝিকুটপত্র ২য় সংখ্যার পিডিএফ লিংক : ঝিকুটপত্র ২য় সংখ্যা