ঝিকুটপত্র ডেস্ক :
রবিবার বিকেল ৪ টায় ইছাপুরা মডেল সরকারি স্কুলে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন হয়।
ঝিকুট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রচার সম্পাদক শেখ রুপুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আশরাফ ইকবাল। ঝিকুট ফাউন্ডেশন সিরাজদিখান পরিষদের আহ্বায়ক রাজু মোল্লার পরিচালনায় ঈদ পুনর্মিলনীতে উপস্থিত ছিলেন ঝিকুট ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মধ্যে আফসানা হাই তন্দ্রা, রফিকুল ইসলাম বাবু, শোভন সারোয়ার, শেখ বাধন, হাফসা আক্তার, তাহমিনা আক্তার, তানজিল আহসান, হাবিবুর রহমান প্রান্ত, আশিকুল ইসলাম, শাকিল সাইদ প্রমুখ।

শিক্ষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রশাসন, খেলাধুলা, শিল্প, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ সুজলা-সুফলা বিক্রমপুরের রয়েছে হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস। সুপ্রাচীন চন্দ্ররাজাদের তাম্রশাসনের অঞ্জলি থেকে শুরু করে পাল, সেন, মোঘল, বার ভূঁইয়াদের কীর্তিতে সমুজ্জ্বল হয়ে একটি স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজধানী বিক্রমপুরের কীর্তিময় অংশ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত অতিপ্রাচীন জনপদ বিক্রমপুর। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ বিক্রমপুর নামে বিক্রমপুর দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। দক্ষিণ বিক্রমপুরকে ১৮৬৯ সালে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত করা হয়। বাকিটা মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর, সিরাজদিখান, শ্রীনগর, লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ি মোট ৫টি উপজেলা নিয়ে উত্তর বিক্রমপুর গঠিত হয়। বিক্রমপুরের হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম সংস্কৃতির মিলিত সভ্যতার অপরূপ কারুকার্য ও শিল্প, মুর্তি, শিলালিপি, খোদাই করা কারুকার্যস্তম্ভ, ভাস্কর্য ঢাকা জাতীয় জাদুঘরে স্তরে স্তরে সাজানো আছে। তাই বিক্রমপুরের সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষে তথা সমগ্র বাংলাদেশের তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে ঝিকুট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা।