
ড. আলমাসুর রহমান:
শ্রদ্ধা এমন একটি দক্ষতা এবং শক্তি যিনি তা ধারন করতে পেরেছেন তিনি নম্রতা বিনয় সরলতা অর্জন করতে পেরেছেন । – অন্যদিকে অহংকার, ঘৃনা ,উগ্রতা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছেন —
কে কোন বংশে ও গোত্রে, কোন দলে , সাদা না কালো ,সম্পদশালী না মধ্যবিত্ত তাতে কিছু যাই আসে না সবার প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং সবার প্রতি তার আচরণ থাকে বিনম্র —-
এক মত না হলেও কারু কথা মনোযোগ দিয়ে শোনাও শ্রদ্ধা –
গবেষনায় দেখা গেছে মানুষ যখন কারু প্রতি শ্রদ্ধা জানায় সেটা বাবা , মা, ভাই বোন, শিক্ষক, আত্মীয় স্বজন , প্রতিবেশী , কলিগ যার প্রতিই হোক তার ব্রেনের ভেতর এক প্রকার নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ হয় ফলে সে ভালো বোধ করে ফলে তার ভেতর ভালোলাগা তৈরি হয় এবং যার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয় তিনিও ভালো বোধ করেন –

এই উত্তম গুণের ব্যক্তিদের ব্রেনের শ্রদ্ধার নিউরো পাথওয়ে তৈরি হয়ে যায় ফলে তার ব্যবহারে মানবিক বোধ তৈরি হয় —
শ্রদ্ধাবোধ নিকট আত্মীয়, দুর আত্মীয় স্বজনদের এবং বন্ধু প্রতিবেশী সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মত দারুন ভালো কাজটি সম্ভব হয় —
শ্রদ্ধার গুণটি এংজাইটি ও স্ট্রেস এড়াতেও ভালো কাজ করে —
সবাইকে যেমন সে ভালোবাসে তাকেও সবাই ভালোবাসে —
সবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা —
মো.আলমাসুর রহমান
১৫/০৩/২৩
Counsellor, Mind Gym,
East West University